নয়া কূটনৈতিক চালে এবার ট্রাম্প! চিন সফরে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি এই বছর বা পরের বছর চীন সফরে যেতে পারেন। তার এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে। তবে একই সঙ্গে তিনি চীনকে কঠিন হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।
সম্পর্ক ভালো রাখার আশা, কিন্তু হুঁশিয়ারিও রয়েছে
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে ইন-এর সঙ্গে এক সাংবাদিক সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, দুই দেশের মধ্যে শুল্ক নিয়ে সমস্যা থাকলেও তাদের অর্থনৈতিক সম্পর্ক ভালো হয়েছে। তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গেও সম্প্রতি আলোচনা করেছেন বলে জানান। ট্রাম্প আশা করেন যে চীনের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক ভালো থাকবে।
তবে তিনি বলেন, “তাদের হাতে কিছু শক্তিশালী তাস আছে, আমাদের হাতেও কিছু অবিশ্বাস্য শক্তিশালী তাস আছে। কিন্তু আমি কখনোই সেগুলো ব্যবহার করতে চাই না। কারণ, সেগুলো ব্যবহার করলে চীন ধ্বংস হয়ে যাবে।”
অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও শুল্কের চাপ
চীন ও আমেরিকার মধ্যে চলমান বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে পণ্য রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। বর্তমানে আমেরিকা ৩০% এবং চীন ১০% শুল্ক সংশোধন করেছে। কিন্তু ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, চীন যদি তাদের দর কষাকষি বন্ধ না করে, তাহলে আমেরিকা আবার শুল্ক বাড়িয়ে দেবে। তিনি আরও জানান, যদি চীন আমেরিকাকে গুরুত্ব না দেয়, তাহলে তিনি ২০০% শুল্ক আরোপ করবেন।
আমেরিকা এর আগে অভিযোগ করেছিল যে চীন তাদের সঙ্গে করা চুক্তি ভঙ্গ করেছে এবং বিরল খনিজ রপ্তানির লাইসেন্স অনুমোদনে দেরি করছে। এই বিরল খনিজগুলো অটোমোটিভ, ইলেকট্রনিক্স এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই খনিজ উৎপাদনে চীন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দেশ।
ট্রাম্পের এই ধরনের মন্তব্য একইসঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখার আগ্রহ এবং প্রয়োজনে কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।