সংবিধান সংশোধনী বিল পাস নিয়ে কাদের উপর ভরসা রাখছেন শাহ! বিজেপিকে নিশানা করে আক্রমণ অভিষেকের

বিজেপি আসলে দুটি ‘E’-এর নীতি নিয়ে চলে, এমনটাই অভিযোগ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের মতে, প্রথম ‘E’ হলো নির্বাচন কমিশন (Election Commission), যাকে ব্যবহার করে ভোটারদের অধিকার কমানোর চেষ্টা করা হয়। আর এই চেষ্টা যদি ব্যর্থ হয়, তখন আসে দ্বিতীয় ‘E’, অর্থাৎ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED), যাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি বিল নিয়ে করা মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল এই কঠোর অবস্থান জানাল।
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগেও অভিযোগ করেছেন যে নির্বাচন কমিশন বিজেপির পক্ষে কাজ করছে। তিনি বলেন, যদি নির্বাচন কমিশন অনিয়ম করে, তাহলে মানুষকে সঙ্গে নিয়ে গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে এসআইআর (Special Investigation Report)-এর নামে পশ্চিমবঙ্গের বৈধ ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক।
একটি ভিডিও বার্তায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যখন একটা ‘ই’ অর্থাৎ ইলেকশন কমিশনকে কোনোভাবেই নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করা গেল না, তখন খুব সহজেই এনডিএ সরকার ঘুরে গেল ‘ই²’ অর্থাৎ ইডির দিকে।”
তিনি আরও বলেন, ইডির আসল উদ্দেশ্য রাজ্যগুলোকে দুর্নীতিমুক্ত করা নয়, বরং গণতন্ত্রের মুখ বন্ধ করে বিরোধী নেতাদের জেলে ঢোকানো। তার মতে, কেন্দ্রীয় সরকার শুধু জনগণ বা গণতন্ত্র বিরোধী নয়, তারা কৃষক, গরিব, সংখ্যালঘু, এবং রাষ্ট্র বিরোধীও। তিনি বলেন, বিজেপিকে একটি ভোট দেওয়া মানে দেশের সত্তা এবং সংবিধানকে বিক্রি করে দেওয়া, এবং দেশকে স্বৈরাচারীদের হাতে তুলে দেওয়া। এটি গণতন্ত্রের সঠিক সংজ্ঞা হতে পারে না।
তৃণমূলের এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, তারা মনে করে যে বিজেপি শাসিত নয় এমন রাজ্যগুলোতে জনগণের রায়কে নষ্ট করে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার জন্য কেন্দ্র বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছে।