গণেশ চতুর্থীতে মানুন এই টোটকা, তাহলেই ভাগ্য খুলে যাবে আপনার! পকেটে উপচে পড়বে টাকা

হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী, গণেশ চতুর্থী ভগবান গণেশের আশীর্বাদ পাওয়ার এক বিশেষ দিন। বিশ্বাস করা হয়, এই দিনে কিছু সহজ নিয়ম বা টোটকা মেনে চললে জীবনে বাধা দূর হয়, নতুন কাজ সফল হয় এবং আর্থিক সমৃদ্ধি আসে। এই দিনে দেবী লক্ষ্মী ঘরে প্রবেশ করেন বলেও অনেকের বিশ্বাস। এখানে এমন ৬টি সহজ টোটকা দেওয়া হলো:
১. লাল ফুল ও দূর্বা অর্পণ
গণেশ পুজোয় লাল ফুল এবং দূর্বা নিবেদন করা খুব শুভ। বলা হয়, গণেশ দূর্বা খুব পছন্দ করেন। পুজোর সময় ২১ গাছি দূর্বা অর্পণ করলে আর্থিক সমস্যা দূর হয়, ব্যবসায় লাভ বাড়ে এবং ঘরে ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পায়।
২. প্রদীপ জ্বালানো
গণেশ চতুর্থীর দিনে গণেশ মূর্তির সামনে ঘি বা তিলের তেলের প্রদীপ জ্বালালে সংসারের অন্ধকার দূর হয় এবং আর্থিক সমৃদ্ধি আসে। প্রদীপের আলো মনে ইতিবাচক শক্তি বাড়ায়, যা নতুন কাজ বা উদ্যোগে সফল হতে সাহায্য করে।
৩. মিষ্টি ও মোদক নিবেদন
ভগবান গণেশের প্রিয় খাবার হলো মোদক। বিশ্বাস করা হয়, চতুর্থীর দিনে যদি ২১টি মোদক নিবেদন করা হয়, তাহলে গণেশ ভক্তের আর্থিক কষ্ট দূর করেন। মোদক ছাড়াও লাড্ডু বা খীরের মতো অন্য কোনো মিষ্টি দিলেও ধনলাভের সম্ভাবনা বাড়ে।
৪. মনের ইচ্ছা প্রকাশ
পূজা শেষে গণেশ মূর্তির ডান কানে ফিসফিস করে নিজের আর্থিক সমস্যা বা কোনো ইচ্ছা বলতে পারেন। বিশ্বাস করা হয়, গণেশ ভক্তের মনের কথা শুনে খুব তাড়াতাড়ি তা পূরণ করেন। বিশেষ করে চাকরি, ব্যবসা বা অর্থ লাভের আশা থাকলে এই টোটকা বেশ কার্যকরী।
৫. মন্ত্র জপ
গণেশ চতুর্থীর রাতে যদি “ওঁ গণ গণপতায়ে নমঃ” মন্ত্রটি ১০৮ বার জপ করা হয়, তাহলে আর্থিক সমস্যা দ্রুত কেটে যায়। মন্ত্র জপ মনকে শান্ত করে এবং জীবনে ইতিবাচক শক্তি নিয়ে আসে, যা ধন-সম্পদ বাড়াতে সাহায্য করে।
৬. দান এবং সেবা
চতুর্থীর দিনে গরিব বা অভাবী মানুষকে খাবার, কাপড় বা টাকা দান করা খুব ফলপ্রসূ। শাস্ত্র অনুযায়ী, গণেশ দয়ার প্রতীক। তাই এই দিনে সেবা এবং দান করলে তার কৃপায় ঘরে খাবার ও টাকার অভাব হয় না। নিয়মিত দান করার অভ্যাস আর্থিক উন্নতির পথ খুলে দেয়।