পানা পুকুরে লুকিয়ে ছিলেন জীবনকৃষ্ণ, দুর্গন্ধময় জলে ভিজে চড়লেন ED-র গাড়িতে

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের গ্রেফতার হলেন বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। সোমবার সকালে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) তাঁর মুর্শিদাবাদের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গেলে তিনি দেওয়াল টপকে পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেন। এরপর কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁকে পুকুরের পাঁক থেকে তুলে আনেন।
গ্রেফতারের কারণ
এর আগেও একই মামলায় CBI-এর হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন জীবনকৃষ্ণ। ২০২৩ সালের এপ্রিলে যখন তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চলছিল, তখন তিনি দুটি মোবাইল ফোন পুকুরে ফেলে দিয়েছিলেন। এবারও তিনি একটি মোবাইল ফোন নর্দমায় ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেন, যা পরে উদ্ধার করা হয়। তদন্তকারীদের ধারণা, এই ফোনগুলিতে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য লুকানো আছে।
জীবনকৃষ্ণকে গ্রেফতারের পর ED আধিকারিকরা তাঁর কাছে ফোনের পাসওয়ার্ড জানতে চাইলে তিনি প্রথমে তা দিতে রাজি হননি। পরে চাপের মুখে তিনি ফোনটি আনলক করতে বাধ্য হন।
কোথায় চলছে তল্লাশি?
জীবনকৃষ্ণের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি ED তাঁর শ্বশুরবাড়ি এবং বীরভূমের সাঁইথিয়ায় তাঁর পিসি, তৃণমূল কাউন্সিলর মায়া সাহার বাড়িতেও তল্লাশি চালাচ্ছে।
বর্তমানে জীবনকৃষ্ণ সাহাকে CGO কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে তাঁকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ১৩ মাস জেলবন্দি থাকার পর সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পেয়েছিলেন তিনি। এবার আবার তিনি গ্রেফতার হলেন।