গণেশ চতুর্থীতে এই ১০টি টোটকা মেনে চললে সুখ-সমৃদ্ধি আসবে আপনার ঘরে!

আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর বুধবার গণেশ চতুর্থী। এই দিনটিতে অনেকেই নিয়ম মেনে বাড়িতে গণেশ পূজা করেন। বিশ্বাস করা হয়, সঠিকভাবে পূজা করলে এবং কিছু বিশেষ টোটকা মেনে চললে জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি আসে। এখানে গণেশ পূজার জন্য এমন ১০টি টোটকা তুলে ধরা হলো, যা আপনাকে কাজে সাফল্য এনে দিতে পারে:

পূজার সময় করণীয়
১. গণেশ যন্ত্রম: গণেশ চতুর্থীর দিন বাড়িতে গণেশ যন্ত্রম স্থাপন করলে তা খুব ফলদায়ক বলে মনে করা হয়।
২. বোঁদের লাড্ডু: যেকোনো কাজে সাফল্য পাওয়ার জন্য গণেশ পূজার সময় একটি তামার বা অন্য কোনো পাত্রে দুটি বোঁদের লাড্ডু, একটি লবঙ্গ এবং একটি সুপারি রেখে গণেশকে নিবেদন করুন।
৩. মোদা ও হলুদ মিষ্টি: গণেশের সবচেয়ে প্রিয় খাবার হলো মোদক। পূজায় মোদক দেওয়া বাধ্যতামূলক। এছাড়া যেকোনো হলুদ রঙের মিষ্টি গণেশের খুব পছন্দ।
৪. দুর্বা ঘাস: গণেশ পূজার সময় একটি পাত্রে ১২টি দুর্বা ঘাস নিয়ে তাতে সামান্য সিঁদুর ও হলুদ দিয়ে গণেশকে নিবেদন করুন।
৫. সুপারি ও মন্ত্র জপ: পূজার সময় গণেশ ঠাকুরের আসনের ডান ও বাঁ দিকে একটি করে সুপারি রেখে দিন এবং ‘ওম গণপতয়ে নমঃ’ মন্ত্রটি অবশ্যই জপ করুন।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ টোটকা
৬. শমী গাছের পাতা: শমী গাছ গণেশের অত্যন্ত প্রিয়, তাই পূজার সময় এই গাছের পাতা গণেশকে অর্পণ করতে পারেন।
৭. আতপ চাল: অখণ্ড আতপ চাল কিছুক্ষণ জলে ভিজিয়ে রেখে তা গণেশের চরণে অর্পণ করলে তিনি সন্তুষ্ট হন বলে বিশ্বাস করা হয়।
৮. আর্থিক কষ্ট থেকে মুক্তি: খাঁটি গুড় ও ঘি গণেশকে নৈবেদ্য হিসেবে দিন। এরপর সেই নৈবেদ্য একটি গরুকে খাওয়ান। এতে আর্থিক কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
৯. উপবাস: যারা উপবাস করেন, তারা পূজার দিন সকালে স্নান করে পরিবারের সদস্যদের জন্য নিরামিষ রান্না করুন। এতে পরিবারের উপর কোনো অমঙ্গল আসে না।