বিহারের ভোটার হিসেবে নাম দুই পাকিস্তানি মহিলার! তথ্য সামনে আসতেই ব্যাপক হইচই

বিহারে আসন্ন নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা নিয়ে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। জানা গেছে, বিহারের ভোটার তালিকায় দুই পাকিস্তানি মহিলার নাম রয়েছে। এই ঘটনায় তীব্র হইচই শুরু হয়েছে।
সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বিহারে ভোটার তালিকার ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ (Special Intensive Revision – SIR) চলার সময় এই তথ্যটি উঠে আসে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া বিদেশি নাগরিকদের তথ্য যাচাই করতে গিয়েই এই দুই মহিলার নাম খুঁজে পায়। তাঁরা ১৯৫০-এর দশকে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় একজন বিএলও (বুথ লেভেল অফিসার) ফারজানা খানম জানিয়েছেন, ওই দুই মহিলার মধ্যে একজনের নাম ইমরানা খানম। তিনি এখন খুব অসুস্থ। ফারজানা জানান, তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে নোটিশ পেয়েছেন এবং ওই মহিলার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
এরই মধ্যে বিহারে প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৬৫ লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়েছে, যার মধ্যে ২২ লক্ষের বেশি ভোটারকে মৃত দেখানো হয়েছে। এ নিয়ে বিরোধী দলগুলো, বিশেষ করে কংগ্রেস, অভিযোগ তুলেছে যে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়ে নির্বাচনে কারসাজি করার চেষ্টা চলছে। রাহুল গান্ধী এই প্রক্রিয়াকে ‘ভোট চুরি’ বলে অভিযোগ করেছেন।
#WATCH | Bhagalpur, Bihar: A Pakistani woman, who came to India in 1956, has been found to be in Bihar’s voter list and was even verified in the SIR carried out in the state. When the Home Ministry started carrying out an investigation regarding foreign nationals who had… pic.twitter.com/CodczsabaD
— ANI (@ANI) August 24, 2025
এই বিতর্কের মধ্যেই সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার শুনানি করেছে। আদালত জানিয়েছে যে, খসড়া ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ব্যক্তিদের নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না, যা হতাশাজনক। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে যে, বাদ পড়া ব্যক্তিরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন এবং তাদের আবেদন গ্রহণ করতে নির্বাচন কমিশনকে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে আদালত রাজনৈতিক দলগুলোকে এই বিষয়ে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসতে বলেছে।