সন্ধ্যে হলেই ঘরে ঢুকতো পুরুষরা, মদ খাইয়ে তিন মহিলার সঙ্গে জোর করে….. ! আড়ালে শিউরে ওঠার মতো ঘটনা

উত্তরপ্রদেশের মরাদাবাদে পুলিশের এক অভিযানে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। মজহোলার কাশীরাম নগর এলাকায় একটি গোশালার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল এক যৌনচক্র। পিঙ্কি নামে এক মহিলা এই চক্রের মূল হোতা হিসেবে কাজ করছিল। পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন কিশোরীকে উদ্ধার করেছে, যাদের জোর করে এই অবৈধ কাজে বাধ্য করা হচ্ছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত পিঙ্কি তার সহযোগী সচিনের সাহায্যে অসহায় ও বাড়ি থেকে পালিয়ে আসা মেয়েদেরকে টার্গেট করত। তাদের কাজের প্রলোভন দেখিয়ে গোশালায় নিয়ে আসা হতো। দিনের বেলায় তাদের দিয়ে গরুর দেখাশোনা ও ঘরের কাজ করানো হতো। আর রাতে চলত অমানবিক নির্যাতন। বিভিন্ন গ্রাহক এসে তাদের যৌনকাজে বাধ্য করত।
উদ্ধার হওয়া এক কিশোরী (জয়া) জানায়, তাকে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আটকে রাখা হয়েছিল। আরেক কিশোরী জানায়, রুটি পুড়ে যাওয়ায় পিঙ্কি ও তার সঙ্গী বিজয় ঠাকুর তার হাতে গরম তেল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং মারধর করে। সেই রাতে তাকে ধর্ষণও করা হয়। অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীদের ভয় দেখাত, যাতে তারা পালানোর চেষ্টা না করে বা বাইরে কাউকে খবর না দেয়। তাদের আর্তনাদ ঢাকার জন্য জোরে গান বাজানো হতো।
পুলিশ ইতিমধ্যেই পিঙ্কি, সচিন, বিজয় ও অভনীশ-সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে। উদ্ধার হওয়া মেয়েদের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এই ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং স্থানীয়রা জড়িত সবার কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।