শহরে বাইক ট্যাক্সি আদৌ চালানো যাবে? জেনেনিন কি বলল কর্ণাটকের হাই কোর্ট

শহরে বাইক ট্যাক্সি চলবে কি না, তা নিয়ে কর্ণাটক হাইকোর্টের রায়ে বড় ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। প্রথমে কিছু বাইক ট্যাক্সি সংস্থা রাস্তায় নেমে পরিষেবা শুরু করে দিয়েছিল। কিন্তু আদালত দ্রুত এই রায়ের ব্যাখ্যা দিয়ে জানিয়েছে, তারা এমন কোনো নির্দেশ দেয়নি যেখানে রাজ্যে বাইক ট্যাক্সি চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
২০ আগস্ট বিচারপতি বিভূ বাখরু এবং বিচারপতি সিএম জোশীর বেঞ্চ অ্যাডভোকেট জেনারেল শশী কিরণ শেট্টিকে স্পষ্ট করে জানান যে, তাদের রায়ের কোথাও বাইক ট্যাক্সি অপারেটরদের ব্যবসা শুরু করার কথা বলা হয়নি। আদালত বলেছে, “আমরা এমন কোনও অর্ডার দিইনি। যদি তারা (বাইক ট্যাক্সি অপারেটররা) ব্যবসা শুরু করে, তাহলে আপনারা (রাজ্য) যা ইচ্ছা পদক্ষেপ নিতে পারেন।”
আদালত আরও স্পষ্ট করে বলেছে যে, তাদের আগের রায়ে কেবল একক বাইক ট্যাক্সি চালকদের বিরুদ্ধে আগাম পদক্ষেপ না নিতে বলা হয়েছিল, কিন্তু বড় সংস্থা বা অ্যাগ্রিগেটরদের বিষয়ে কোনো কথা বলা হয়নি।
আগে কর্ণাটকে হাইকোর্টের নির্দেশে বাইক ট্যাক্সি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ওলা, উবার, র্যাপিডোর মতো সংস্থাগুলো আদালতে গিয়েছিল। বুধবার রাজ্য সরকার আদালতকে জানায় যে তারা বাইক ট্যাক্সি নিয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেবে। তবে পরের দিনই কিছু সংস্থা তাদের অ্যাপে পরিষেবা চালু করে দেয়, যার ফলে রাস্তায় আবার বাইক ট্যাক্সি দেখা যায়।
আদালত রাজ্য সরকারকে এই বিষয়ে এক মাসের মধ্যে একটি নীতি তৈরি করার জন্য সময় দিয়েছে। তবে আদালত এটাও নির্দেশ দিয়েছে যে, এই সময়ের মধ্যে কোনো একক বাইক ট্যাক্সি চালককে যেন হেনস্থা করা না হয়।