আহমেদাবাদে স্কুলছাত্র খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য, অভিযুক্তের ইনস্টাগ্রাম চ্যাট প্রকাশ্যে

আহমেদাবাদের একটি বেসরকারি স্কুলে দশম শ্রেণির এক ছাত্রকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে, এই নৃশংস ঘটনার পর অভিযুক্ত নবম শ্রেণির ছাত্রটি তার এক বন্ধুর সঙ্গে ইনস্টাগ্রামে কিছু কথোপকথন করেছিল, যা এখন প্রকাশ্যে এসেছে।

ঘটনা:

বুধবার, স্কুলের মধ্যে দশম শ্রেণির ছাত্র নয়ন সানতানির সঙ্গে তার এক জুনিয়র ছাত্রের বচসা হয়। বচসা এতটাই মারাত্মক আকার ধারণ করে যে জুনিয়র ছাত্রটি নয়নকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। গুরুতর আহত নয়ন স্কুলের বাইরেই মারা যায়। এই ঘটনায় শহরজুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উত্তেজিত অভিভাবকরা স্কুলে ভাঙচুরও চালান।

ইনস্টাগ্রাম চ্যাট থেকে জানা যায়:

পুলিশের তদন্তে অভিযুক্ত ছাত্রটির ইনস্টাগ্রাম চ্যাট থেকে কিছু ভয়ঙ্কর তথ্য পাওয়া গেছে। চ্যাটে দেখা গেছে, তার এক বন্ধু তাকে জিজ্ঞেস করছে, “ভাই, তুই আজ কিছু করেছিস?” উত্তরে অভিযুক্ত জানায়, “হ্যাঁ।”

যখন বন্ধুটি তাকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, “ভাই তুই ছুরি চালিয়েছিস?” তখন অভিযুক্ত প্রথমে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও পরে স্বীকার করে নেয়, “হ্যাঁ।”

সবচেয়ে ভয়াবহ অংশটি হলো, যখন বন্ধুটি জানায় যে যাকে ছুরি মারা হয়েছে, সে সম্ভবত মারা গেছে, তখন অভিযুক্ত নির্বিকারভাবে বলে, “ছেড়ে দে, যা হয়েছে, হয়ে গেছে।” এমনকি সে তার বন্ধুকে বলে, “যা, বলে দে আমিই কুপিয়েছি।”

এই চ্যাটের মাধ্যমে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে অভিযুক্ত ছাত্রটি তার অপরাধ সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন ছিল এবং তার মধ্যে কোনো অনুশোচনা ছিল না। এই ঘটনা শুধু স্কুলের নিরাপত্তা নিয়েই নয়, বরং বর্তমান প্রজন্মের মানসিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করে ঘটনার আরও তদন্ত করছে।