আসছে জম্মু-কাশ্মীর পুর্নগঠন সংশোধনী বিল!… এই বিলে যেসব জিনিস বিশেষ থাকছে? একনজরে দেখেনিন

জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন (সংশোধন) বিল, ২০২৩, গত ২৬ জুলাই, ২০২৩ তারিখে লোকসভায় পেশ করা হয়েছে। এই বিলটি ২০১৯ সালের জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইনকে সংশোধন করে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে চলেছে। এই আইনের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছিল: জম্মু ও কাশ্মীর (আইনসভা সহ) এবং লাদাখ (আইনসভা ছাড়া)।
বিধানসভার আসন ও সংরক্ষণ
এই নতুন বিল অনুযায়ী, জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা ৮৩ থেকে বাড়িয়ে ৯০ করা হয়েছে। এই বর্ধিত আসনের মধ্যে তফসিলি জাতি (SC)-র জন্য সাতটি এবং তফসিলি উপজাতি (ST)-র জন্য নয়টি আসন সংরক্ষিত থাকবে। ২০১৯ সালের আইনে তফসিলি উপজাতিদের জন্য কোনো আসন সংরক্ষিত ছিল না, যা এই নতুন বিলের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
কাশ্মীরি অভিবাসী ও বাস্তুচ্যুতদের প্রতিনিধিত্ব
এই বিলের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রস্তাব হলো, লেফটেন্যান্ট গভর্নর এখন থেকে কাশ্মীরি অভিবাসী সম্প্রদায় থেকে সর্বোচ্চ দুজনকে বিধানসভায় মনোনীত করতে পারবেন। এই মনোনীত সদস্যদের মধ্যে একজনকে অবশ্যই মহিলা হতে হবে।
“অভিবাসী” বলতে সেইসব মানুষকে বোঝানো হয়েছে, যারা ১ নভেম্বর, ১৯৮৯ সালের পর কাশ্মীর উপত্যকা বা জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের অন্য কোনো অংশ থেকে চলে গেছেন এবং রিলিফ কমিশনারের কাছে নিজেদের নিবন্ধিত করেছেন। এর মধ্যে সেই ব্যক্তিরাও অন্তর্ভুক্ত যারা চাকরির কারণে বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা থাকা সত্ত্বেও অস্থিরতার ভয়ে স্থান ছেড়েছেন।
এছাড়াও, বিলে পাকিস্তান-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের প্রতিনিধিত্বকারী একজন সদস্যকে বিধানসভায় মনোনীত করার ক্ষমতা লেফটেন্যান্ট গভর্নরকে দেওয়া হয়েছে। এই “বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি” বলতে তাদের বোঝানো হয়েছে, যারা ১৯৪৭-৪৮, ১৯৬৫ বা ১৯৭১ সালের নাগরিক অস্থিরতার কারণে বা তার ভয়ে তাদের বাড়িঘর ছেড়ে চলে এসেছেন।