“ক্যাচের সময় সীমানা দড়ি পিছিয়ে রাখা ছিল”-সূর্যকুমারের সেই অবিশ্বাস্য ক্যাচ নিয়ে মুখ খুললেন রায়াডু

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে সূর্যকুমার যাদবের সেই অবিশ্বাস্য ক্যাচ ভারতীয় ক্রিকেট ভক্তদের মনে এখনও টাটকা। কিন্তু এবার সেই ক্যাচ নিয়েই নতুন বিতর্ক তৈরি করলেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার আম্বাতি রায়ডু। তিনি দাবি করেছেন, ক্যাচটির ঠিক আগে বাউন্ডারির দড়ি কিছুটা পিছিয়ে রাখা হয়েছিল।
ফাইনালে শেষ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার দরকার ছিল ১৬ রান। হার্দিক পান্ডিয়ার বলে ডেভিড মিলার যখন ছক্কা মারার চেষ্টা করেন, তখন মনে হচ্ছিল বল বাউন্ডারি পার হয়ে যাবে। কিন্তু লং অফে ফিল্ডিং করা সূর্যকুমার অনেকটা দৌড়ে এসে বলটিকে তালুবন্দি করেন। শরীরের ভারসাম্য ধরে রাখতে না পেরে তিনি বল হাওয়ায় ছুড়ে দিয়ে নিজে বাউন্ডারির বাইরে যান এবং ফিরে এসে ক্যাচটি সম্পূর্ণ করেন। যদি সেটি ছক্কা হতো, তাহলে ম্যাচের ফল অন্যরকম হতে পারত।
একটি ইউটিউব ভিডিওতে রায়ডু বলেন, “বিরতির সময় সম্প্রচারকারী চ্যানেল বাউন্ডারির কাছে চেয়ার পেতেছিল। সেখানে দাঁড়িয়ে ধারাভাষ্যকাররা কথা বলছিলেন। চেয়ার পাতার সময় বাউন্ডারির দড়ি কিছুটা সরানো হয়েছিল। পরে আর সেটা আগের জায়গায় ফেরানো হয়নি। ফলে আমাদের জন্য বাউন্ডারি কিছুটা বড় হয়ে গিয়েছিল।” তিনি স্পষ্ট করে দেন যে তার এই অভিযোগ ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে নয়, বরং সম্প্রচারকারী চ্যানেলের বিরুদ্ধে।
Ambati Rayudu – "The broadcaster indirectly helped Surya with that catch if the rope was inside it was a clear six."
Later he covered it up by saying God was with us. Is this guy indirectly taking a dig at India’s T20 World Cup win?Why has he been so salty in the last 1 year 🙁 pic.twitter.com/mWf67iaUHK
— 𝐉𝐨𝐝 𝐈𝐧𝐬𝐚𝐧𝐞 (@jod_insane) August 18, 2025
রায়ডু অবশ্য সূর্যকুমারের ক্যাচটির প্রশংসা করে বলেন, “আমরা ধারাভাষ্য বক্স থেকে পুরোটা দেখেছিলাম। বাউন্ডারির দড়ি নিজের জায়গায় থাকলে সেটা ছক্কা হতো কি না, তা বলতে পারব না। তবে সূর্য যেভাবে দৌড়ে ক্যাচ ধরে নিজের শরীরের ভারসাম্য ধরে রেখেছিল, সেটা অসাধারণ। ওই ম্যাচে ঈশ্বর আমাদের পাশে ছিলেন।”
রায়ডুর এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশ্বকাপের পর থেকেই কিছু ভক্ত অভিযোগ করছিলেন যে বাউন্ডারির দড়ি পিছিয়ে রাখা হয়েছিল, আর রায়ডুর মন্তব্য সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।