“সারা রাত চলছিল তাস খেলা”-প্রতিবাদী মহিলাকে ধারালো অস্ত্রের কোপ, গ্রেফতার যুবক

গভীর রাতে তাস খেলাকে কেন্দ্র করে বচসা ও গোলমালের প্রতিবাদ করায় এক মহিলাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় কুলতলি থানার পুলিশ অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি থানা এলাকার ১ নম্বর মধুসুদনপুর গ্রামে।

পুলিশ সূত্রে খবর, অনন্ত মণ্ডল নামে এক ব্যক্তির বাড়ির সামনে প্রতিদিন রাতে তাস খেলার আসর বসত। সোমবার ভোরেও সরবিন্দু গায়েন এবং তার বন্ধুরা সেখানে তাস খেলছিলেন। খেলতে খেলতে হঠাৎ তাদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া এবং চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয়। এতে বিরক্ত হয়ে অনন্তের স্ত্রী নীলিমা মণ্ডল ঘর থেকে বেরিয়ে এসে প্রতিবাদ জানান।

অভিযোগ উঠেছে, নীলিমার প্রতিবাদে ক্ষিপ্ত হয়ে সরবিন্দু গায়েন তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। নীলিমার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। তার চিৎকার শুনে তার বৌদি এবং ভাই শান্ত মণ্ডল তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। প্রতিবেশীরাও প্রতিবাদ জানালে তাদেরও অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়।

আহত নীলিমা মণ্ডলকে কুলতলি ব্লক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে বর্তমানে তার অবস্থা স্থিতিশীল। সোমবার বিকেলেই নীলিমার পরিবারের পক্ষ থেকে কুলতলি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই রাতেই সরবিন্দু গায়েনকে গ্রেফতার করে। তবে অভিযুক্তের বন্ধুদের পক্ষ থেকে পাল্টা অভিযোগ করা হয়েছে যে, সরবিন্দুকেও মারধর করা হয়েছে।