আচমকা চিৎকার, মুহূর্তেই সব শেষ…! নদীর গ্রাসে ঘরবাড়ি, মালদহের ঘটনায় বাড়ছে আতঙ্ক

ভোরে নদীতে মাছ ধরতে আসা জেলেদের চিৎকারে ঘুম ভাঙল গ্রামবাসীদের। তাঁদের চিৎকার শুনেই বেরিয়ে এসে যা দেখলেন, তাতে আঁতকে উঠলেন সবাই। প্রবল জলস্তর বৃদ্ধির কারণে মালদহের মানিকচক ব্লকের শংকরটোলা গ্রামের ফুলার নদীর তীরে ঘটে গেছে এক ভয়াবহ ভাঙন। চোখের পলকে নদীর গর্ভে তলিয়ে গেল পাঁচটি বাড়ি, তিনটি ট্রাক্টর এবং কয়েকটি চার চাকার গাড়ি।

গ্রামবাসীদের আতঙ্ক ও প্রশাসনের পদক্ষেপ
ভাঙনের শব্দে গ্রামবাসীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পুরো গ্রামই নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। স্থানীয় এক গ্রামবাসী বলেন, “জলস্তর বাড়ার কারণে এমনিতেই বন্যার আশঙ্কা ছিল, এবার বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ায় আমরা কী করব, বুঝে উঠতে পারছি না।”

ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত এলাকায় ছুটে যান মানিকচক পঞ্চায়েত পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পিংকি মণ্ডল। তিনি বলেন, “ভাঙনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ত্রাণ শিবিরে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশাসন সব সময় তাদের পাশে আছে।” আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা তাদের বেঁচে থাকা বাড়িগুলোর ইট পর্যন্ত খুলে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যেতে শুরু করেছেন। বর্তমানে ভিটেমাটি হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো উঁচু স্থানে ত্রিপল খাটিয়ে ত্রাণ ও পুনর্বাসনের অপেক্ষায় দিন গুনছেন।