লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে বিশেষ ঘোষণা! পুজোর মাসে বাড়বে ভাতা? কী জানাল রাজ্য সরকার

দুর্গাপুজোর আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের অধীনে মহিলাদের “বিশেষ বোনাস” বা অতিরিক্ত টাকা দেওয়া হবে বলে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ও কিছু পোর্টালে জল্পনা ছড়িয়েছে। তবে রাজ্য সরকারের তরফে এই বিষয়ে এখনও কোনো অফিসিয়াল নোটিশ প্রকাশিত হয়নি। ফলে বর্তমানে এই প্রকল্পের অধীনে যে পরিমাণ টাকা দেওয়া হয়, সেটিই দেওয়া হবে।

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে কত টাকা দেওয়া হয়?
গত লোকসভা নির্বাচনের পর এই প্রকল্পের ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছিল। এখন সাধারণ শ্রেণির মহিলারা মাসে ১,০০০ টাকা এবং তপশিলি জাতি ও উপজাতির মহিলারা মাসে ১,২০০ টাকা সরাসরি তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পান। যেহেতু আগামী বছর ২০২৬-এ পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, অনেকেই আশা করছেন যে এবারও ভাতা বৃদ্ধি হতে পারে।

৬০ বছর বয়সে বার্ধক্য ভাতা
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পটি মহিলাদের দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করে। এই প্রকল্পের সুবিধাভোগিনীরা ৬০ বছর বয়স পার করার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাজ্যের বার্ধক্য ভাতা প্রকল্পে স্থানান্তরিত হন এবং অর্থ সাহায্য পেতে থাকেন। জুন ২০২৫ পর্যন্ত প্রায় ৬.৮ লক্ষ মহিলা এই সুবিধা পাচ্ছেন, এবং প্রকল্পের মোট সুবিধাভোগীর সংখ্যা ২.২ কোটিরও বেশি।

দুর্গাপূজায় কি ভাতা বাড়ছে?
বাজেটের আগে বা পরে ভাতা বৃদ্ধির জল্পনা থাকলেও, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত বা বিভাগীয় নোটিফিকেশন জারি করা হয়নি। তাই দুর্গাপূজার মাসে অতিরিক্ত অর্থ দেওয়ার কোনো সরকারি নির্দেশনা এখনো আসেনি। গুজবে কান না দিয়ে সরকারি ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করা উচিত।

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা কখন ঢোকে?
সাধারণত, প্রতি মাসের ১ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে বেশিরভাগ মহিলার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা চলে আসে। তবে ব্যাংক ছুটির কারণে বা আধার কার্ডের সঙ্গে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিংক না থাকার কারণে অনেক সময় টাকা পেতে দেরি হয়। দুর্গাপূজা এবং লক্ষ্মীপূজার ছুটির কারণে অক্টোবরের শুরুতে টাকা পেতে দেরি হতে পারে, তাই সকলে সরকারের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছে।

অনলাইনে স্ট্যাটাস চেক করবেন কীভাবে?

প্রকল্পের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘Lakshmir Bhandar’ সেকশনে আপনার আবেদন নম্বর এবং মোবাইল নম্বর দিয়ে স্ট্যাটাস চেক করতে পারেন। এতে আপনার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে কি না বা কেন ঢুকছে না, তা জানতে পারবেন। প্রয়োজনে দুয়ারে সরকার ক্যাম্প বা স্থানীয় পঞ্চায়েত ও পৌরসভায় যোগাযোগ করতে পারেন।