উচ্চ মাধ্যমিক সংসদের বিরুদ্ধে RTI আইনের লঙ্ঘনের অভিযোগ, অস্বস্তিতে কর্তৃপক্ষ

তথ্যের অধিকার (RTI) আইনে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা জানতে চেয়ে পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের কাছে চরম হয়রানির শিকার হয়েছেন সাবির আহমেদ নামে এক গবেষক। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, কাউন্সিল তাকে প্রয়োজনীয় তথ্য না দিয়ে বরং ‘হুমকি’ এবং ‘অপমানজনক’ ভাষায় চিঠি দিয়েছে।

সাবির আহমেদ ২০১১ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠী অনুযায়ী কতজন শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছেন, সেই তথ্য জানতে চেয়েছিলেন। তিনি RTI আইনে কাউন্সিলের কাছে একটি চিঠিও পাঠান। কিন্তু তার অভিযোগ, কাউন্সিল তাকে সরাসরি তথ্য না দিয়ে নানাভাবে বিভ্রান্ত করেছে। তার মতে, কাউন্সিলের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যের পাঠানো চিঠিগুলি ‘হুমকিস্বরূপ এবং অশোভন’।

আইন অনুযায়ী, RTI আবেদনকারীকে কেন তথ্য জানতে চাওয়া হচ্ছে, তার কারণ জানাতে বাধ্য নন। কিন্তু সাবিরের অভিযোগ, প্রথমবার চিঠি পাঠানোর পর তার কাছে এই তথ্য চাওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হয়। তিনি যখন ফিরতি চিঠিতে জানান যে তিনি কারণ জানাতে বাধ্য নন, তখন তাকে ‘অপমানজনক’ ভাষায় উত্তর দেওয়া হয়।

চতুর্থ চিঠিতে কাউন্সিল সভাপতি দাবি করেন যে, আবেদনকারীকে সমস্ত তথ্য দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সাবির আহমেদ জানান, তিনি কোনো তথ্যই পাননি। এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে, কেন আইন লঙ্ঘন করে তথ্যের বদলে কারণ জানতে চাওয়া হলো? এবং কেন তথ্য না দিয়েও তা দিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে মিথ্যা দাবি করা হলো? এসব প্রশ্নের কোনো উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। এই ঘটনাটি তথ্যের অধিকার আইনের স্বচ্ছতা এবং প্রয়োগ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে।