“হাম তো ডুবেঙ্গে সনম, তুমকো সাথ লেকে ডুবেঙ্গে!”, গানের সুরে তৃণমূল-কংগ্রেসকে খোঁচা শমীকের

কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ‘স্ট্রেঞ্জার ইনফরমেশন রিপোর্ট’ (এসআইআর) নিয়ে রাজ্য রাজনীতি যখন উত্তপ্ত, তখন এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য। বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’-এর সাংসদদের একযোগে প্রতিবাদ করার প্রেক্ষাপটে তিনি কংগ্রেস-তৃণমূলের মৈত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, “হাম তো ডুবেঙ্গে সনম, তুমকো সাথ লেকে ডুবেঙ্গে।” তার এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, কংগ্রেস নিজেদের নিশ্চিত পরাজয় মেনে নিলেও তৃণমূলকে সঙ্গে নিয়ে ডুবতে চাইছে।

ভুয়ো আধার কার্ডের অভিযোগ ও জাতীয় নিরাপত্তার উদ্বেগ
সংসদে বক্তব্য রাখার সময় শমীক ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন যে, পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি, বারাসাত ও বারুইপুর এলাকাগুলো ‘ভুয়ো আধার কার্ডের হাব’ হিসেবে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, “দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অবৈধভাবে মানুষ এসে এই এলাকায় ভুয়ো পরিচয়ের ব্যবসা চালাচ্ছে, যা দেশের সার্বভৌম নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ফেলছে।”

রাজনৈতিক কৌশল ও কটাক্ষ
শমীক ভট্টাচার্য রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে বলেন, “রাহুল গান্ধী ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মঞ্চে ব্যর্থ, হরিয়ানা, দিল্লি, বিহারে পরাজয়ের পর এবার পশ্চিমবঙ্গের পালা।” তিনি আরও বলেন, “এখন সেই তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার চেষ্টা করছেন। এটা রাজনীতির এক অদ্ভুত সমীকরণ, যেখানে এক পক্ষ ডুবছে, আর অন্যকে সঙ্গে নিয়ে নিমজ্জিত হওয়ার চেষ্টা করছে।”

এসআইআর ইস্যুতে রাহুল গান্ধীর দেওয়া নথি নির্বাচন কমিশন খণ্ডন করেছে উল্লেখ করে শমীক বলেন, রাহুল গান্ধীকে অতীতে রাফাল ও সাভারকর প্রসঙ্গে ক্ষমা চাইতে হয়েছে, এবং এখন সুপ্রিম কোর্টেও তিনি ব্যর্থ। তাই হয়তো তাকে শিগগিরই ‘ক্ষমাশ্রী’ উপাধি দেওয়া হবে। শমীক ভট্টাচার্যের এই আক্রমণাত্মক মন্তব্যের পর বাংলার রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।