নবান্ন অভিযানে ‘অরাজকতা’র অভিযোগ, শুভেন্দু অধিকারীকে তীব্র আক্রমণ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের

নবান্ন অভিযানের নামে শনিবার রাজ্যজুড়ে ‘অরাজকতা’ সৃষ্টি হয়েছে—এই অভিযোগ তুলে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষত পুলিশের বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্য এবং সরকারি সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগ তুলে তিনি শুভেন্দুর বিচার চেয়েছেন।
রবিবার শ্রীরামপুরে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে নবান্ন অভিযানের নামে যে অরাজকতা তৈরি হয়েছিল, তা ভাবা যায় না।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, “পুলিশকে মারধর, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট—এই ধরনের ক্রিমিনাল অ্যাক্টিভিটিস হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী নিজে এই সমস্ত কাজের উস্কানি দিয়েছেন এবং অত্যন্ত বিশ্রী ভাষায় গালাগাল দিয়েছেন, যা রাজনীতির ভাষা হতে পারে না।”
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থার একটি রায়কে তুলে ধরেন, যেখানে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কোনো এফআইআর-এর ক্ষেত্রে হাইকোর্টের অনুমতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। কল্যাণ বলেন, “হাইকোর্টের সৌজন্যে একজন বিরোধী দলনেতা কত বড় ক্রিমিনাল হতে পারে, তা মানুষ দেখছে। হাইকোর্টও দেখুক।” তিনি আরও বলেন, “উনি পুলিশকে ‘পিগ সন’ বলছেন। এই ধরনের ভাষা রাজনীতিতে বলা উচিত নয়। এই ধরনের লোকদের পশ্চিমবাংলা থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করে দিতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “সমালোচনা সবাইকে শুনতে হবে। কিন্তু এই ধরনের অশালীন ভাষা এবং ক্রিমিনাল কার্যকলাপের কোনো স্থান রাজনীতিতে নেই।”