চাকরির বাজারে AI-এর প্রভাব নিয়ে সতর্ক করলেন বিল গেটস, জানুন কী কী বললেন?

মাইক্রোসফ্টের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস তরুণ প্রজন্মকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI)-এর কারণে চাকরির বাজারে যে পরিবর্তন আসছে, সে বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তাঁর মতে, এআই টুলগুলো ‘মজাদার এবং শক্তিশালী’ হলেও, শুধু এগুলি শিখলেই চাকরির নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে না। এআইয়ের দ্রুত বিকাশের ফলে এন্ট্রি-লেভেলের চাকরিগুলো কমে যাচ্ছে, যা নতুন প্রজন্মের জন্য স্থায়ী চাকরি খোঁজা আরও কঠিন করে তুলছে।

এন্ট্রি-লেভেলের চাকরিতে এআইয়ের প্রভাব
একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাস থেকে এন্ট্রি-লেভেলের চাকরির বিজ্ঞাপন ৩৫ শতাংশ কমে গেছে। বিশেষ করে ফিন্যান্স এবং সলিউশন সেক্টরে এই প্রভাব বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গবেষণা, তথ্য বিশ্লেষণ এবং কনটেন্ট তৈরির মতো কাজ, যা আগে নতুন কর্মীরা করতেন, এখন তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ২০৩০ সালের মধ্যে আমেরিকায় ৩০ শতাংশ কাজের সময় স্বয়ংক্রিয়তার কারণে কমে যেতে পারে, যার ফলে তরুণ কর্মীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

নতুন পেশার দিকে ঝুঁকছে জেন জেড
এআইয়ের প্রভাবের কারণে জেন জেড-এর অনেক চাকরিপ্রার্থী এখন এমন পেশার দিকে ঝুঁকছেন যেখানে এআইয়ের প্রভাব কম। প্লাম্বিং, ইলেক্ট্রিশিয়ান বা লিফট ইনস্টলেশনের মতো দক্ষ পেশাগুলোকে তাঁরা স্থিতিশীল এবং ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ মনে করছেন। এই ধরনের পেশার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিও প্রয়োজন হয় না।

বিল গেটস তরুণদের এআই সম্পর্কে জ্ঞান রাখতে উৎসাহিত করলেও তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, শুধুমাত্র প্রযুক্তিগত দক্ষতা দিয়ে সাফল্য আসবে না। এর পাশাপাশি মানসিক বুদ্ধিমত্তা এবং নমনীয়তাও থাকা জরুরি। তাঁর এই সতর্কবার্তা তরুণদেরকে ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করতে সাহায্য করবে।