Weather: দিনভর বৃষ্টির পূর্বাভাস, ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের সতর্কতা বাংলার জেলায় জেলায়?

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী তিন দিন রাজ্যের কয়েকটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে, কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে শনিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে, সঙ্গে ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। আজ, শুক্রবারও রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস:

আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আজ ১৮ই জুলাই থেকে ২৪শে জুলাই পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে ১৯শে জুলাই, শনিবার, দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রবল। বৃষ্টির সময় ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে, যা সাধারণ জনজীবনকে কিছুটা প্রভাবিত করতে পারে। আপাতত গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রার বড় কোনো পরিবর্তন হবে না।

উত্তরবঙ্গে ভারী বর্ষণের সতর্কতা:

উত্তরবঙ্গের জন্য আবহাওয়া দফতর বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। আজ থেকে ২৪শে জুলাই পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে আগামী ১৯, ২০ এবং ২১শে জুলাই দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের মতো জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার (১৯শে জুলাই): দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারের কিছু অংশে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

রবিবার (২০শে জুলাই): দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ারের কিছু অংশে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

সোমবার (২১শে জুলাই): জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ারের কিছু অংশে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও আপাতত তাপমাত্রার কোনো বড় পরিবর্তন হবে না বলে জানানো হয়েছে।

কলকাতার তাপমাত্রা:

হাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, আজ শুক্রবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে, এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হতে পারে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। শহরে বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৭ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৭৬ শতাংশ।

বর্ষার এই সময়ে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে যারা উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি ও সমতল অঞ্চলে বসবাস করেন। ভারী বৃষ্টিতে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার এবং যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।