‘প্রতিবেশীকে প্রেগন্যান্ট করে দাও!’ বউয়ের ‘আজব’ দাবিতে স্বামীর চক্ষু চড়কগাছ, অতঃপরেই যা জানা গেল?

স্বামী-স্ত্রীর দৈনন্দিন জীবনের খুঁটিনাটি, খুনসুটি আর মজার মুহূর্তগুলো প্রায়শই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এসব ভিডিও কখনো হাসির রোল তোলে, কখনো বা সম্পর্কের এক মিষ্টি ছবি ফুটিয়ে তোলে। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে এমনই এক ‘অদ্ভূতুড়ে’ ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যা প্রথম দেখায় আপনাকে হতবাক করে দেবে, কিন্তু আসল সত্য জানলে আপনিও হেসে লুটোপুটি খাবেন।
স্ত্রীর দাবি, স্বামীর বিস্ময়:
ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামে ‘@shimlagirlviyankaofficial’ নামক একটি অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করা হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক ভদ্রলোক পরম আয়েস করে নিজের মোবাইল ঘাঁটছেন। ঠিক সেই সময় তাঁর স্ত্রী ঘরে প্রবেশ করেন এবং সরাসরি স্বামীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “শোনো। তুমি প্রতিবেশীকে তাড়াতাড়ি প্রেগন্য়ান্ট করে দাও।”
স্ত্রীর এই আকস্মিক এবং অদ্ভুত দাবি শুনে স্বামী হতবাক হয়ে স্ত্রীর দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকেন। কিন্তু মহিলা নিজের ভুল বুঝতে না পেরেই পুনরায় একই কথা বলেন, “প্রতিবেশীকে তাড়াতাড়ি প্রেগন্য়ান্ট করে দাও।” এবার স্বামী রেগে গিয়ে প্রশ্ন করেন, “তুমি কী পাগল হয়ে গেছো? কী বলছো?”
আসল রহস্য উন্মোচন: ‘প্রেগন্যান্ট’ নয়, ‘পেমেন্ট’!
স্ত্রীর অদ্ভুত কথায় স্বামী যখন রীতিমতো হতবিহ্বল, তখন মহিলা স্বামীকে হালকা আঘাত করে বলেন, “এতে রাগ করার কী আছে? তাকে প্রেগন্যান্ট করে দাও… আমি পার্সেল এনেছি। আমার UPI কাজ করছে না, তাই তুমি তাকে Pregnant করে দাও।”
মহিলার কথা শেষ হতেই স্বামীর মুখে এক চরম বিস্ময়ের ছাপ দেখা যায়। তিনি বুঝতে পারেন স্ত্রীর ভুলটা কোথায়! স্বামী তখন হেসে স্ত্রীকে বলেন যে এটাকে ‘প্রেগন্যান্ট’ বলে না, এটাকে ‘পেমেন্ট’ বলে। অর্থাৎ, স্ত্রী আসলে প্রতিবেশীকে পার্সেলের টাকা ‘পেমেন্ট’ করার জন্য স্বামীকে বলছিলেন, কিন্তু ভুলবশত ‘প্রেগন্যান্ট’ শব্দটি ব্যবহার করে ফেলেছেন!
নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া ও ভিডিওর জনপ্রিয়তা:
এই মজার ভিডিওটি দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়েছে। এখন পর্যন্ত ভিডিওটি ৮৩ লক্ষেরও বেশি বার দেখা হয়েছে এবং ১ লক্ষ ৩২ হাজারেরও বেশি মানুষ এটি লাইক করেছেন। মন্তব্যের ঝড় বইছে ভিডিওটির নিচে। অধিকাংশ নেটিজেনই হেসে লুটিয়ে পড়েছেন এই ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা দেখে। তবে, অনেক নেটিজেন প্রশ্ন তুলেছেন, “তিনি যদি UPI জানেন, তাহলে তিনি কেন ‘পেমেন্ট’ জানেন না?”
এই ভিডিওটি প্রমাণ করে দিল যে, কখনো কখনো ভাষা ও উচ্চারণের সামান্য ভুল কত বড় হাসির খোরাক হতে পারে, এবং কীভাবে সাধারণ মুহূর্তগুলোও ভাইরাল হয়ে মানুষকে নির্মল আনন্দ দিতে পারে।