টেনিস তারকা রাধিকাকে গুলি করে হত্যা, বাবার বয়ানে রহস্য ঘনীভূত, নেপথ্যে কি রিল ভিডিওর অপছন্দ?

হরিয়ানার গুরুগ্রামে এক মর্মান্তিক ঘটনায় টেনিস খেলোয়াড় রাধিকাকে (১৮) গুলি করে হত্যা করার অভিযোগে তার বাবা দীপক যাদবকে এক দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বাড়ির রান্নাঘরে ঢুকে পিছন থেকে মেয়েকে পরপর গুলি করেন দীপক। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কারণ নিয়ে রহস্য ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে, কারণ অভিযুক্ত বাবা পুলিশি জেরায় বারবার নিজের বয়ান বদল করছেন।

পুলিশ সূত্রে খবর, দীপক যাদব একবার বলছেন, মেয়ের রিল বানানো পছন্দ করতেন না তিনি, আর তা থেকেই এই চরম পদক্ষেপ। অন্যদিকে, তিনি দাবি করছেন, মেয়ের রোজগারে সংসার চলে— এই কটূক্তি সহ্য করতে না পেরেই রাগের মাথায় গুলি চালিয়েছেন। তদন্তকারীরা বোঝার চেষ্টা করছেন, দীপক যাদব কি সত্যি কথা বলছেন, নাকি তদন্তকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।

রাধিকার সহ খেলোয়াড়রা এই ঘটনায় স্তম্ভিত। রাধিকার এক সহকর্মী বলেন, “বাবা দীপক প্রায়শই রাধিকার সঙ্গে অ্যাকাডেমিতে আসতেন। কখনও তাঁকে উত্তেজিত হতে দেখিনি।” এই মন্তব্য দীপকের আচরণের সঙ্গে মানানসই না হওয়ায় রহস্য আরও বাড়ছে। পুলিশ ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে জোরদার তদন্ত চালাচ্ছে।

‘পথশ্রী’র বেহাল দশা: সুতির পারাইপুরে নেই রাস্তা, খাটিয়ায় প্রসূতিকে হাসপাতালে নেওয়ার করুণ চিত্র
মুর্শিদাবাদ, ১১ জুলাই ২০২৫: পশ্চিম মেদিনীপুরের পর এবার মুর্শিদাবাদের সুতি-১ ব্লকের হারুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রত্যন্ত পারাইপুর গ্রাম থেকে উঠে এল সরকারি প্রকল্পের চূড়ান্ত ব্যর্থতার এক হৃদয়বিদারক চিত্র। ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের আওতায় প্রায় দেড় বছর আগে রাস্তা তৈরির জন্য ৩৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হলেও, আজও সেই গ্রামে এক মিটারও রাস্তা তৈরি হয়নি। এর ফলস্বরূপ, অসুস্থ প্রসূতিদের খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হচ্ছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, ২০২৪ সালে পারাইপুর গ্রামের প্রায় ১ কিলোমিটার রাস্তা তৈরির জন্য একটি সংস্থাকে ‘ওয়ার্ক অর্ডার’ দেওয়া হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল গ্রামীণ মানুষের যাতায়াত সুগম করা। কিন্তু অভিযোগ, গত দেড় বছরে দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার সংস্থা এক ইঞ্চিও কাজ করেনি। সামান্য বৃষ্টিতে গ্রামের রাস্তা এক হাঁটু কাদায় ডুবে থাকে, যার ফলে অ্যাম্বুলেন্স বা অন্য কোনও গাড়ি গ্রামে ঢুকতে পারে না।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে (এশিয়ানেট নিউজ বাংলা যার সত্যতা যাচাই করেনি) দেখা যাচ্ছে, গ্রামের রাস্তা কাদায় ভর্তি। একজন গর্ভবতী মহিলাকে তার পরিবারের সদস্যরা খাটিয়ায় চাপিয়ে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাচ্ছেন। এই করুণ দৃশ্য প্রশাসনের উদাসীনতা এবং সরকারি প্রকল্পের বাস্তবায়নে চরম গাফিলতির দিকেই আঙুল তুলছে। স্থানীয়রা দ্রুত রাস্তা তৈরির কাজ শুরু করার দাবি জানিয়েছেন, যাতে আর কাউকে এই ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে না হয়।