সুকান্তকে সভাপতি চেয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে বার্তা? ‘চিঠি’ নিয়ে যা জানালো গেরুয়া শিবির

বিজেপির নতুন রাজ্য সভাপতি নিযুক্ত হয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে সরিয়ে তাঁকে নতুন সভাপতি বেছে নিয়েছে দল। আর তার কয়েক ঘণ্টা পরেই শুরু হয়ে গিয়েছে বিতর্ক। নতুন সভাপতির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে সুকান্তর জেলা দক্ষিণ দিনাজপুরের ছয় হাজার বিজেপি কর্মী গণইস্তফা দেবেন বলে প্রচার করে দলের সর্বভারতীয় সভাপতিকে লেখা একটি চিঠি ভাইরাল হয়েছে।

যে প্যাডে চিঠিটি লেখা হয়েছে সেটি আবার বিজেপির দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরীর নামে। যদিও স্বরূপবাবু খোদ নিজে প্য়াড ও চিঠিটি ফেক বলে পাল্টা পোস্ট করে জানিয়েছেন। স্বরূপ চৌধুরী চিঠিটিকে ফেক বলে জানিয়ে পাল্টা ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। তিনি জানান, সুকান্ত মজুমদারকে দুর্নাম করতে এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপির ক্ষতি করতেই ভুয়ো চিঠি স্যোশাল মিডিয়ায় দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে দেখা গিয়েছে জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরীর প্যাড, মেইল অ্যাড্রেসও তারই রয়েছে। অথচ, সভাপতি হিসেবে স্বাক্ষর রয়েছে প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিনয় বর্মনের। স্বরূপ চৌধুরী জানান, প্যাড এবং স্বাক্ষর দুটোই জাল করা হয়েছে। এর পেছনে বিরোধীদের চক্রান্ত দেখতে পাচ্ছেন স্বরূপ বাবু। এ নিয়ে বালুঘাট থানাতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বিজেপির কেন্দ্রীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকে উদ্দেশ্য করে চিঠিটি লেখা হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে, ‘সুকান্ত মজুমদার গত বিধানসভা ভোটের পর থেকে যে ভাবে রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব সামলেছেন এবং দলের কর্মীদের উৎসাহ জুগিয়েছেন, তা অভাবনীয়।… যিনি একটা উপনির্বাচন ছাড়া অন্য কোনও নির্বাচনে জেতেননি, তাঁকে ওই চেয়ারে মানতে পারছি না। আমরা ৬ হাজার কর্মী গণইস্তফার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শমীক ভট্টাচার্যকে আমরা নেতা মানতে পারছি না।’ যদিও চিঠিটি সত্যিই জাল নাকি এটা সত্য়িকারের চিঠি তা এখনও পরিষ্কার হয়নি। এর পিছনে কারা রয়েছেন, তাও স্পষ্ট নয়। তবে চিঠির খবর নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে গোটা রাজ্যেই।

এখানে আপনার জন্য একটি নতুন সংবাদ প্রতিবেদন দেওয়া হলো:

শমীক ভট্টাচার্যের রাজ্য সভাপতি পদে আসতেই তুমুল বিতর্ক: দক্ষিণ দিনাজপুরে ৬ হাজার বিজেপি কর্মীর ‘গণইস্তফা’র ভুয়ো চিঠি ভাইরাল
কলকাতা, ৪ জুলাই, ২০২৫: বিজেপির রাজ্য সভাপতি পদে শমীক ভট্টাচার্য-এর নতুন নিযুক্তিকে ঘিরে শুরুতেই বিতর্কের ঝড় উঠেছে। প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে সরিয়ে তাঁকে নতুন রাজ্য সভাপতি মনোনীত করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি চিঠি ভাইরাল হয়েছে, যেখানে সুকান্তর জেলা দক্ষিণ দিনাজপুরের ছয় হাজার বিজেপি কর্মী শমীক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে গণইস্তফা দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। এই চিঠিটি দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

বিতর্কের সূত্রপাত: ‘ফেক’ চিঠির অভিযোগ
ভাইরাল হওয়া চিঠিটি বিজেপির দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী-এর প্যাডে লেখা এবং তাঁর ইমেল অ্যাড্রেসও সেখানে উল্লেখ রয়েছে। তবে, এই চিঠির সত্যতা নিয়ে তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে, কারণ চিঠিতে সভাপতি হিসেবে স্বাক্ষর রয়েছে প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিনয় বর্মনের।

স্বরূপ চৌধুরী নিজে এই চিঠি এবং প্যাডটিকে ‘ফেক’ (নকল) বলে পাল্টা ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, সুকান্ত মজুমদারকে হেয় করতে এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপির ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে এই ভুয়ো চিঠি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, প্যাড এবং স্বাক্ষর দুটোই জাল করা হয়েছে এবং এর পেছনে বিরোধীদের চক্রান্ত রয়েছে। এই বিষয়ে তিনি বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন বলেও জানিয়েছেন।

চিঠিতে কী লেখা আছে?
বিজেপির কেন্দ্রীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকে উদ্দেশ্য করে লেখা ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, “সুকান্ত মজুমদার গত বিধানসভা ভোটের পর থেকে যেভাবে রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব সামলেছেন এবং দলের কর্মীদের উৎসাহ জুগিয়েছেন, তা অভাবনীয়… যিনি (শমীক ভট্টাচার্য) একটা উপনির্বাচন ছাড়া অন্য কোনো নির্বাচনে জেতেননি, তাঁকে ওই চেয়ারে মানতে পারছি না। আমরা ৬ হাজার কর্মী গণইস্তফার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শমীক ভট্টাচার্যকে আমরা নেতা মানতে পারছি না।”

রহস্য ও রাজনৈতিক চাপানউতোর:
যদিও চিঠিটি সত্যিই জাল নাকি এর পেছনে কোনো সত্যতা রয়েছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। এর পেছনে কারা রয়েছে, তাও স্পষ্ট নয়। তবে, এই চিঠির খবর নিয়ে গোটা রাজ্যেই ব্যাপক হইচই শুরু হয়েছে। শমীক ভট্টাচার্যের নতুন ইনিংস শুরু হওয়ার মুহূর্তেই এই ধরনের বিতর্কিত ঘটনা বিজেপির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর সৃষ্টি করবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।