রুশ জ্বালানির বড় ক্রেতা ভারত নয়, পশ্চিমা দেশগুলোই, উঠে এলো তথ্য

ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের দুই মাসেরও বেশি সময় পার হয়েছে। অভিযান শুরুর পর ইউক্রেনীয়দের জোরালো প্রতিরোধের মুখে এক পর্যায়ে রাজধানী কিয়েভ দখলের স্বপ্ন থেকে সরে আসতে হয় হয় রাশিয়াকে। এই যুদ্ধে ইউক্রেন পশ্চিমাদের সমর্থন পেলেও রুশ জ্বালানির বড় ক্রেতা এখনও পশ্চিমা দেশগুলোই। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রথম দুই মাসে রুশ জ্বালানির সবচেয়ে বড় ক্রেতা ছিল জার্মানি। বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

সমীক্ষাটি সম্পন্ন করেছে সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার। এতে দেখা গেছে, ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার কথিত বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর জীবাশ্ম জ্বালানি রফতানি থেকে দেশটি ৬৩ বিলিয়ন ইউরো বা ৬৬.৫ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে।

যুদ্ধের প্রথম দুই মাসে রুশ জ্বালানির সবচেয়ে বড় ক্রেতা কোন দেশ?
ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের দুই মাসেরও বেশি সময় পার হয়েছে। অভিযান শুরুর পর ইউক্রেনীয়দের জোরালো প্রতিরোধের মুখে এক পর্যায়ে রাজধানী কিয়েভ দখলের স্বপ্ন থেকে সরে আসতে হয় হয় রাশিয়াকে। এই যুদ্ধে ইউক্রেন পশ্চিমাদের সমর্থন পেলেও রুশ জ্বালানির বড় ক্রেতা এখনও পশ্চিমা দেশগুলোই। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রথম দুই মাসে রুশ জ্বালানির সবচেয়ে বড় ক্রেতা ছিল জার্মানি। বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

সমীক্ষাটি সম্পন্ন করেছে সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার। এতে দেখা গেছে, ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার কথিত বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর জীবাশ্ম জ্বালানি রফতানি থেকে দেশটি ৬৩ বিলিয়ন ইউরো বা ৬৬.৫ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে।

জাহাজ চলাচলের ডাটা ব্যবহার করে, পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস প্রবাহের রিয়েল টাইম ট্র্যাকিং এবং ঐতিহাসিক মাসিক বাণিজ্যের ওপর ভিত্তি করে গবেষকরা সম্ভাব্য একটি হিসাব দাঁড় করিয়েছেন। এতে বলা হয়েছে, যুদ্ধের প্রথম দুই মাসে জীবাশ্ম জ্বালানি সরবরাহের জন্য জার্মানি একাই রাশিয়াকে প্রায় ৯.১ বিলিয়ন ইউরো পরিশোধ করেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৮৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

জার্মান সরকার বলছে, তারা এ ধরনের অনুমানের বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে পারে না। তবে একইসঙ্গে এ সংক্রান্ত নিজস্ব কোনও পরিসংখ্যান প্রকাশেও রাজি হয়নি দেশটি। বার্লিন বলছে, এই হিসাবগুলো দেশটির কয়লা, তেল এবং গ্যাস সংগ্রহকারী সংস্থাগুলোর কাছ থেকে আসতে হবে।

এদিকে ডলারের বদলে রুশ মুদ্রা রুবলে পাওনা পরিশোধ না করায় ইউরোপের দুই দেশ পোল্যান্ড ও বুলগেরিয়ায় ২৭ এপ্রিল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে রাশিয়া। এই ঘটনায় রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ এনেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। তারা বলেছে, রাশিয়া প্রাকৃতিক গ্যাসকে ব্ল্যাকমেইল করার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। অন্যদিকে রুশ প্রেসিডেন্টের দফতর ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ঘোষিত নতুন ব্যবস্থা না মানলে আরও অনেক ক্রেতার গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।