সাতসকালে যৌনমিলনের আবদার! স্ত্রী প্রত্যাখ্যান করতেই ঘটল বীভৎস কাণ্ড, পড়লে শিউরে উঠবেন

অন্যের ঘরে পরিচারিকার কাজ করে সংসার চালান বছর আটত্রিশের এক যুবতী। শুক্রবারের সাতসকালে, রোজকার মতো তিনিও বেরিয়েছিলেন কাজের উদ্দেশ্যে। তাড়াহুড়ো ছিল চোখেমুখে। ঠিক তখনই, সাক্ষাৎ যমের মতো দাঁড়িয়ে তাঁর পথরোধ করলেন স্বামী। অভিযোগ, স্ত্রীর কাছে তিনি দাবি করলেন সঙ্গমের।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, স্ত্রী যখন সেই আবদার প্রত্যাখ্যান করলেন, তখনই ঘটল বীভৎস কাণ্ড। অভিযোগ, বছর ছেচল্লিশের স্বামী তাঁর স্ত্রীর গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন! চেম্বুরের এই ঘটনায় স্তম্ভিত স্থানীয়রা।

হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন দগ্ধ যুবতী। স্থানীয় সূত্রে খবর, তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন সেই ভয়াবহ সকালের কথা। অন্যান্য দিনের মতোই যখন তিনি কাজের জন্য তৈরি হচ্ছিলেন, তখনই তাঁর স্বামী যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য জোরাজুরি করেন। তাড়ায় থাকা স্ত্রী যখন রাজি হননি, তখন শুরু হয় তুমুল বচসা।

অভিযোগ, স্বামী তাঁকে শুধু অকথ্য ভাষায় গালিগালাজই করেননি, তাঁর চরিত্র নিয়েও কুরুচিকর মন্তব্য করেন। পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে যখন যুবতী রাগের বশে নিজের গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আত্মহত্যার হুমকি দেন। কিন্তু সেই মুহূর্তে পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে, পাষণ্ড স্বামী রান্নাঘরের গ্যাস থেকে একটি কাগজে আগুন ধরিয়ে স্ত্রীর দিকে ছুঁড়ে মারে! মুহূর্তের মধ্যে দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে অসহায় শরীর।

খবর অনুযায়ী, যুবতীর বুক, পেট এবং হাত-পায়ের বেশ খানিকটা অংশ পুড়ে গিয়েছে। তড়িঘড়ি তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রথমে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকলেও, পরে কিছুটা স্থিতিশীল হলে তিনি স্বামীর এই নারকীয় কাণ্ডের বিবরণ দেন পুলিশকে। এই ঘটনা ফের একবার প্রমাণ করল, দাম্পত্য কলহের ভয়াবহ পরিণতি কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে।