দেশের কৃষি ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত, বিকশিত কৃষি সংকল্প অভিযান, ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

দেশের কৃষি ব্যবস্থাকে আরও উন্নত এবং আধুনিক করতে আজ থেকে শুরু হলো ‘বিকশিত কৃষি সংকল্প অভিযান’। ২৯ মে থেকে আগামী ১২ জুন পর্যন্ত টানা দু’সপ্তাহ ধরে চলবে এই বিশেষ অভিযান। এই কর্মসূচিতে মোট ২ হাজার কৃষি বিজ্ঞানী, বিশেষজ্ঞ এবং সরকারি আধিকারিকের একটি দল সারাদেশে কাজ করবে। তাঁদের মূল লক্ষ্য থাকবে কৃষিক্ষেত্রে কীভাবে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায় এবং কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় করানো।
প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য: ‘বিকশিত কৃষি সংকল্প অভিযান একটি অনন্য উদ্যোগ’
এই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “বিকশিত কৃষি সংকল্প অভিযান একটি অনন্য উদ্যোগ। বর্ষা শুরু হওয়ার সাথে সাথে খারিফ মরসুমেরও প্রস্তুতি শুরু হতে চলেছে। তাই আগামী ১২-১৫ দিনের মধ্যে বিজ্ঞানী, বিশেষজ্ঞ, সরকারী আধিকারিক ও প্রগতিশীল কৃষকদের সমন্বয়ে গঠিত ২০০টির বেশি দল দেশের গ্রাম পরিদর্শন করবে এবং ১০০টির বেশি জেলা অসংখ্য কৃষকদের কাছে পৌঁছাবে।” প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যে অভিযানের ব্যাপকতা এবং গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
কৃষি মন্ত্রীর আশাবাদ: ‘কৃষি বিজ্ঞানীরা এখন আর ল্যাবে বসবেন না’
কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান এই অভিযান নিয়ে গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, “আজ দেশের খাদ্যভাণ্ডার পরিপূর্ণ। প্রতিটি শস্যেরই অভূতপূর্ব ফলন হচ্ছে। চাল, গম, সয়াবিন, বাদাম রেকর্ড পরিমাণে উৎপাদিত হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “ভারতের কৃষি বিজ্ঞানীরা এখন আর ল্যাবে বসবেন না। তাঁরা বাইরে বেরিয়ে কৃষকদের ফসলের ফলন বাড়াতে সাহায্য করবেন। সেই কারণেই আজ থেকে বিকশিত কৃষি সংকল্প অভিযান লঞ্চ করা হয়েছে।” কৃষিমন্ত্রীর এই মন্তব্য কৃষি গবেষণাকে ল্যাব থেকে মাঠে নিয়ে আসার সরকারি অঙ্গীকারকে তুলে ধরে।
এই অভিযানের মাধ্যমে দেশের কৃষকরা আধুনিক কৃষি পদ্ধতির সুবিধা পাবেন এবং তাঁদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং কৃষকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।