ফের দাপট দেখাচ্ছে করোনা, রাজ্যে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা, করোনার ভেরিয়েন্ট নিয়ে কী বলছে কেন্দ্র?

দেশে জুড়ে ক্রমেই বাড়ছে করোনার দাপট, যার প্রভাব দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গেও। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা, বিশেষ করে কলকাতা এবং ডায়মন্ডহারবারে, আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাস্থ্যভবন পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে এবং স্পষ্ট জানিয়েছে যে, কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় ভাইরাসের প্রকোপ নেই, বরং তা ছড়িয়ে পড়ছে। আক্রান্তদের তালিকায় বৃদ্ধ, প্রসূতি ও কিশোররাও রয়েছেন।
জানা গেছে, বর্তমানে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট NB181 এবং LF7-এর চার ধরনের নমুনা পাওয়া গেছে। এই নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলি মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং দিল্লির বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত দিল্লিতে ২৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।
পশ্চিমবঙ্গেও কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। জানুয়ারি মাস থেকে এ পর্যন্ত রাজ্যে মোট ১৫ জন কোভিড পজিটিভ হয়েছেন। তবে সরকারি চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সংক্রমণের মাত্রা সামান্য। রোগীরা বাড়িতে থেকেই সুস্থ হয়ে উঠছেন। উপসর্গগুলির মধ্যে রয়েছে হালকা জ্বর, কাশি, দুর্বলতা এবং গলায় সংক্রমণ। চিকিৎসকরা আশ্বস্ত করেছেন যে, এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই, তবে কেন্দ্র থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য আধিকারিকরা আক্রান্তদের দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন:
১. ভাইরাসের প্রকোপ: নতুন ভ্যারিয়েন্টের কারণে কারা আক্রান্ত হচ্ছেন এবং এই ভাইরাসের প্রকোপ কতটা।
২. ভাইরাসের স্থায়িত্ব: কোভিড এখন কমিউনিটির মধ্যে রয়েছে এবং এর প্রভাব প্রতি বছরই লক্ষ্য করা যাবে, তবে এবারের উপসর্গের মাত্রা কম।
বাংলাতেও চিকিৎসকরা সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। স্বাস্থ্যভবনের তরফে এটাও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তবে, কোথাও কোনো উপসর্গের মাত্রা বাড়ছে কিনা, সেদিকে নজর রাখতে বলা হয়েছে। মাস্ক ব্যবহার, হাত ধোয়া এবং ভিড় এড়িয়ে চলার মতো সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।