যুক্তরাষ্ট্রে ইজরায়েলি দূতাবাসের ২ কর্মীকে গুলি করে হত্যা, ‘ইহুদি-বিরোধী সন্ত্রাস’ আখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি-তে ইহুদি জাদুঘরের (Jewish Museum) কাছে ইসরায়েলি দূতাবাসের দুই কর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং ইসরায়েল এটিকে ‘ইহুদি-বিরোধী সন্ত্রাস’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
স্থানীয় সময় [সময়, যদি জানা থাকে] এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহত দুজনই ইসরায়েলি দূতাবাসের কর্মী ছিলেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রাথমিক খবর অনুযায়ী, তাঁরা ইহুদি জাদুঘরে একটি ইহুদি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে বা চলাকালীন সময়েই তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। গুলিতে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
এই হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ইসরায়েলের জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত দানি দানন। তিনি এই হত্যাকাণ্ডকে সরাসরি ‘ইহুদি-বিরোধী সন্ত্রাস’ (Antisemitic Terrorism) হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। রাষ্ট্রদূত দানন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এই ধরনের ঘৃণ্য অপরাধের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
ঘটনার পরপরই ওয়াশিংটন ডিসি পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি ঘিরে ফেলে। হামলার উদ্দেশ্য এবং হামলাকারীদের পরিচয় সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং সন্দেহভাজনদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।
এই ঘটনা ওয়াশিংটন ডিসি-তে ইসরায়েলি কূটনৈতিক মিশনে এবং বৃহত্তর ইহুদি সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই হামলা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলতে পারে।
বর্তমানে, নিহতদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তবে, তাদের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে এবং ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তাদের দেশে মরদেহ ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ওয়াশিংটনে ইসরায়েলি দূতাবাস এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।
এই হামলার ঘটনায় মার্কিন সরকারও নিন্দা জানিয়েছে এবং ইসরায়েলকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। তবে, এ ধরনের হামলা কিভাবে সংঘটিত হলো এবং এর পেছনে কারা রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তের অগ্রগতি এবং নতুন তথ্য প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে সকলে।