অপারেশন সিঁদুরের বদলা! স্বর্ণমন্দির সহ পাঞ্জাবের একাধিক শহরে ড্রোন-মিসাইল হামলা চালাল পাকিস্তান, ব্যর্থ করলো ভারত

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনার সফল অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুরের’ পর প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিল পাকিস্তান। গত ৮ মে মধ্যরাতে অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরসহ পাঞ্জাবের বিভিন্ন শহরে ড্রোন ও মিসাইল হামলার চেষ্টা চালায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী। কিন্তু ভারতের শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সামনে পাকিস্তানের কোনো অপচেষ্টাই সফল হয়নি। এই খবর সোমবার অমৃতসরে এক সাংবাদিক বৈঠকে নিশ্চিত করেছে ভারতীয় সেনা, যেখানে পাকিস্তান থেকে ছোড়া মিসাইল ও ড্রোনের ধ্বংসাবশেষও প্রদর্শন করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরনে পর্যটকদের ওপর জঙ্গি হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর কঠোর জবাব দিয়েছিল ভারতীয় সেনা। গত ৭ মে মধ্যরাতে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জায়গায় আঘাত হানে ভারতীয় সেনা, গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় একাধিক জঙ্গিঘাঁটি। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’।

‘অপারেশন সিঁদুরের’ ঠিক পরদিন, অর্থাৎ ৮ মে মধ্যরাতে পাকিস্তান সেনা স্বর্ণমন্দির এবং পাঞ্জাবের অন্যান্য শহরগুলিতে ড্রোন ও মিসাইল হামলার মাধ্যমে retaliation করার চেষ্টা করে। তবে ভারতীয় সেনা তখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত ছিল। অমৃতসরের সাংবাদিক বৈঠকে জানানো হয়, ভারতীয় সেনার ‘আকাশ’ মিসাইল সিস্টেম এবং অত্যাধুনিক এল-৭০ এয়ার ডিফেন্স গান ব্যবহার করে পাকিস্তানের ছোড়া সমস্ত ড্রোন ও মিসাইলকে কার্যকরভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।

১৫ ইনফেন্ট্রি ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং মেজর জেনারেল কার্তিক সি শেষাদ্রি এই প্রসঙ্গে বলেন, “আমরা আশঙ্কা করেছিলাম যে পাকিস্তান ভারতের সেনা পরিকাঠামো, সাধারণ মানুষ এবং ধর্মীয় স্থানগুলিকেও নিশানা করতে পারে। এর মধ্যে স্বর্ণমন্দির একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হতে পারত। স্বর্ণমন্দিরকে সুরক্ষিত রাখতে আমরা অতিরিক্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছিলাম। পাকিস্তান ড্রোন ও দূরপাল্লার মিসাইল ব্যবহার করে হামলা চালানোর চেষ্টা করেছিল। আমরা প্রস্তুত ছিলাম এবং স্বর্ণমন্দির লক্ষ্য করে আসা সমস্ত ড্রোন ও মিসাইল ধ্বংস করে দিয়েছি। আমাদের পবিত্র স্বর্ণমন্দিরে একটি আঁচড়ও লাগেনি।”

অমৃতসরে অনুষ্ঠিত এই সাংবাদিক বৈঠকে ভারতীয় সেনার দক্ষতা এবং দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যা পাকিস্তানের হামলা চেষ্টাকে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ করে দেয় এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোকে সুরক্ষিত রাখে।