আস্থা ভোটে জিতলেন নীতীশ, বিস্বাসঘাতকতার দাবি BJP -র কি হল বিধানসভায় জেনে নিন

কিছুদিন আগেই BJP এর সঙ্গে জোট বন্ধন ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন JDU এর নেতা নীতীশ কুমার। 2015 সালে দোল ছাড়ার পর ফের একবার জোট বন্ধন ছাড়লেন তিনি । মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরের দিনই কংগ্রেস ও RJD এর সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গঠন করেন নীতীশ কুমার। অষ্টমবারের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর পদে শপথ গ্রহণ করেছেন নীতীশ কুমার। তাঁর ডেপুটি হিসেবে শপথ নিয়েছেন RJD -র নেতা তেজস্বী যাদব। সংখ্যা গরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও আস্থা ভোটে অগ্নিপরীক্ষা দিতে রাজি হন নীতীশ। এদিন বুধবার বিহার বিধানসভায় নতুন সরকারের আস্থা ভোট অনুষ্ঠিত হয়। আস্থা ভোটে জয়ী হয় মহাগঠবন্ধন সরকার। ধ্বনি ভোটে জয়ী হন নীতীশ কুমরা। মুখে চওড়া হাসি নিয়ে বিধানসভা থেকে বের হন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার।
বুধবার মহাগঠবন্ধন সরকারের জন্য ছিল এক বড়পরীক্ষা । সদ্য় কংগ্রেস, আরজেডির সঙ্গে হাত মিলিয়ে পালাবদল হয় বিহারে। সরকার গঠনের পর এদিন নীতীশ কুমার বিধানসভায় ধ্বনিভোটে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করলেন ।দরকার ছিল 122 টি ভোটের ,আস্থা ভোটে জয়ী হওয়ার জন্য । অঙ্কের হিসেব অনুযায়ী ভেবে দেখলে দেখা যায় এই আস্থাভোটে নীতীশের জয় নিশ্চিত ছিল। সেই অঙ্কের হিসাবের ওপর ভর করে হাসতে হাসতেই জিতে গেলেন নীতীশ। তিনি 160 টি ভোট পেয়ে এই আস্থা ভোটে জয়ী হন। এদিকে নীতীশের বিরুদ্ধে ‘রাজনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতার’ অভিযোগ তুলে ভোটের আগেই বিধানসভা থেকে বেরিয়ে যায় BJP । এদিকে অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই এদিন স্পিকার পদ থেকে ইস্তফা দেন বিজয়কিমার সিনহা। তাঁর অনুপস্থিতিতেই আস্থাভোট অনুষ্ঠিত হয় বিহার বিধানসভায়। বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার তথা JDU এর বিধায়ক মহেশ্বর হাজারি এই আস্থা ভোটের পরিচালনা করেন।