ভারতের জবাব আসবেই! সীমান্ত এলাকায় রাডার মোতায়েন, ঘাম ছুটছে পাকিস্তানের

পাহেলগাম হামলার জেরে ভারতের সম্ভাব্য পাল্টা আঘাতের আশঙ্কায় রাতের ঘুম উড়ে গেছে ইসলামাবাদের। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়াতে সিয়ালকোট সহ একাধিক অগ্রবর্তী ঘাঁটিতে রাডার ও ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ইউনিট মোতায়েন করছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। পাক সেনার সাম্প্রতিক আচরণেই স্পষ্ট যে কোনো মুহূর্তে ‘কিছু’ ঘটতে পারে, যার জন্য তারা পুরোপুরি প্রস্তুত নয়।
সাম্প্রতিককালে, চোর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় (যা সীমান্ত থেকে মাত্র ৫৮ কিমি দূরে অবস্থিত) TPS-77 মাল্টি-রোল রাডার সিস্টেম বসানো হয়েছে। এই ধরনের রাডার সাধারণত যুদ্ধের সময় শত্রুপক্ষের বিমান হামলা বা গতিবিধি শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
পুরনো খেলায় পাকিস্তান
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন যেন তাদের চেনা অভ্যাস। কুপওয়ারা, বারামুলা, আখুনর – নিয়ন্ত্রণ রেখার বিভিন্ন সেক্টরে একটানা পাঁচ দিন ধরে কোনো উস্কানি ছাড়াই গুলি চালিয়েছে পাকিস্তান। ভারতীয় সেনাও এর যোগ্য জবাব দিয়েছে।
‘সেনা স্ট্রাইক অত্যাসন্ন’, মুখ খুললেন পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী: ভারতের প্রত্যাঘাতে ভীত পাকিস্তান।
গত ২২ এপ্রিল ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ খ্যাত বৈসরন উপত্যকায় পর্যটকদের ওপর ভয়াবহ হামলা চালায় পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গিরা। এই হামলায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়। হামলার দায় স্বীকার করে লস্কর-ই-তৈবার শাখা সংগঠন টিআরএফ (দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট)। এই ঘটনায় গোটা দেশ শোকস্তব্ধ হলেও প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রতিক্রিয়া ছিল অত্যন্ত কঠোর ও স্পষ্ট – “প্রত্যেক জঙ্গি এবং তাদের মদতদাতাদের শাস্তি পেতেই হবে।”
এই মন্তব্যের পরই চাপে পড়ে পাকিস্তান। একদিকে ভারত সামরিক মহড়া ‘আক্রমণ’ (Exercise Aakraman) পরিচালনা করছে, যেখানে রাফাল সহ আধুনিক ফাইটার জেট ও নৌবাহিনীর দল অংশ নিচ্ছে। অন্যদিকে, পাকিস্তান দ্রুততার সাথে পিএএফ-এর যুদ্ধবিমানগুলো করাচি থেকে লাহোর-রাওয়ালপিন্ডির ঘাঁটিতে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি একেবারেই স্বাভাবিক নয়।
গত সোমবার পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সরাসরি বলেন, “ভারতের সামরিক হামলা এখন সময়ের অপেক্ষা। আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। তবে অস্তিত্বের সংকট তৈরি না হলে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রশ্নই ওঠে না।”
পোক-এ জঙ্গিদের আড়াল করতে ব্যস্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনী
গোয়েন্দা রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে, ভারতীয় সেনার প্রতিশোধমূলক অভিযানের পূর্বভাস পেয়ে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের একাধিক জঙ্গি লঞ্চপ্যাড খালি করে ফেলা হচ্ছে। জঙ্গিদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সেনার ঘাঁটি এবং বাঙ্কারগুলিতে।
পুলওয়ামার পর বালাকোট, আর এবার? পাহেলগামের মতো জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে হামলার পর ভারত চুপ করে থাকবে না – এ বিষয়ে ইসলামাবাদের কোনো সন্দেহ নেই। শুধু প্রশ্ন হলো কবে এবং কীভাবে এই জবাব আসবে।
বিকল্প ২ (মূল বিষয়বস্তু সংক্ষেপে তুলে ধরে):
পাহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারতের সম্ভাব্য retaliatory attack এর ভয়ে পাকিস্তান সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে এবং সামরিক প্রস্তুতি নিচ্ছে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, পাকিস্তান সিয়ালকোট ও অন্যান্য ফরওয়ার্ড পোস্টে রাডার ও ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ইউনিট মোতায়েন করেছে। তাদের আচরণে বোঝা যাচ্ছে তারা ভারতের তরফ থেকে যেকোনো কিছুর জন্য apprehensive, যদিও তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত নয়।
পাকিস্তান সম্প্রতি চোর ক্যান্টনমেন্টে TPS-77 রাডার বসিয়েছে, যা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এয়ারস্ট্রাইক detect করতে ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যেই পাকিস্তান LoC জুড়ে বিনা প্ররোচনায় ফায়ারিং করে চলেছে, যার জবাব দিচ্ছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী Pahalgam attack এর পর স্পষ্ট জানিয়েছেন যে এই ঘটনার সাথে জড়িত সকলের শাস্তি হবে। ভারতের ‘আক্রমণ’ সামরিক মহড়া এবং পাকিস্তান কর্তৃক দ্রুত তাদের যুদ্ধবিমান relocating করা current tensions নির্দেশ করে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীও স্বীকার করেছেন যে ভারতের military strike আসন্ন এবং তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তবে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার কেবল existential threat এর ক্ষেত্রেই হবে।
গোয়েন্দা রিপোর্টে প্রকাশ, PoK-তে ভারতের সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপের আশঙ্কায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী জঙ্গি লঞ্চপ্যাড খালি করে জঙ্গিদের সেনা ঘাঁটি ও বাঙ্কারে সরিয়ে নিচ্ছে। Pulwama এবং Balakot এর পর Pahalgam হামলার প্রেক্ষিতে ভারতের প্রতিক্রিয়া অবশ্যম্ভাবী, ইসলামাবাদ শুধু সময় এবং পদ্ধতির অপেক্ষায় রয়েছে।
বিকল্প ৩ (আরও সংক্ষিপ্ত আকারে বুলেট পয়েন্ট ব্যবহার করে):
পাহেলগাম হামলার পর ভারতের পাল্টা আঘাতের ভয়ে পাকিস্তান।
সীমান্তে নজরদারি ও সামরিক প্রস্তুতি বৃদ্ধি (সিয়ালকোট সহ ফরোয়ার্ড পোস্টে রাডার, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ইউনিট মোতায়েন)।
চোর ক্যান্টনমেন্টে যুদ্ধকালীন TPS-77 রাডার স্থাপন।
LoC-তে পাকিস্তানের বিনা প্ররোচনায় গুলি ও ভারতের পাল্টা জবাব।
পাহেলগাম হামলায় ২৬ জনের মৃত্যু, দায় স্বীকার টিআরএফ (লস্কর শাখা)।
প্রধানমন্ত্রী মোদীর কঠোর হুঁশিয়ারি: জড়িত সকলের শাস্তি হবে।
ভারতের ‘আক্রমণ’ সামরিক মহড়া ও পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান relocate করা tension বাড়াচ্ছে।
পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর স্বীকারোক্তি: ভারতের স্ট্রাইক আসন্ন, প্রস্তুতি চলছে (তবে পারমাণবিক অস্ত্র কেবল চরম পরিস্থিতিতে)।
PoK-তে জঙ্গিদের সেনা ঘাঁটি ও বাঙ্কারে সরিয়ে নিচ্ছে পাকিস্তান (ভারতের প্রতিশোধমূলক অভিযানের আশঙ্কায়)।
পুলওয়ামা, বালাকোটের পর পাহেলগাম – ভারতের জবাব আসা নিশ্চিত, প্রশ্ন শুধু কবে ও কীভাবে।