Ya Chandi: ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ রূপে সোনামনি, শোলাঙ্কি-স্বস্তিকা দেবীর কোন রূপে ধরা দেবেন?

পিতৃপক্ষের শেষক্ষণ ও মাতৃপক্ষের সূচনাকালের সময়কেই মহালয়া বলা হয়। মহান কিংবা মহত্বের আলয় (আশ্রয়) থেকেই এই শব্দের উৎপত্তি। সনাতন ধর্ম অনুযায়ী, এই দিনে প্রয়াত আত্মাদের মর্ত্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, প্রয়াত আত্মার যে সমাবেশ হয় তাকেই মহালয় বলা হয়ে থাকে। যদিও এই নামের একাধিক অর্থ হয়েছে। পুরাণ, শাস্ত্র ও আভিধানিক ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন অর্থ দেখা যায়।
দুর্গাপুজোর সঙ্গে ওতোপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে ‘মহালয়া’। আর মহালয়ার ভোরে কোন চ্যানেল কত দর্শক টানবে সেই নিয়ে জোর টক্কর। যদিও এই বছর ষ্টার জলাশয় ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ হচ্ছেন ‘এক্কা দোক্কা’র রাধিকা, অর্থাৎ টলিউড অভিনেত্রী সোনামণি সাহা। এই রূপে কেমন মানিয়েছে সোনামনিকে?
সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে স্টার জলসার ‘মহালয়া’ স্পেশ্যাল অনুষ্ঠানের প্রথম ঝলক। ‘যা চণ্ডী’ (Ya Chandi)। যেখানে পার্বতী হিসাবে দেখা যাবে সাহেবের চিঠি’র চিঠি অর্থাৎ টলিউড অভিনেত্রী দেবচন্দ্রিমা সিংহ রায়কে।ভয়ঙ্করী চামুণ্ডার রূপে ধরা দেবেন ‘অনুরাগের ছোঁয়া’র দীপা অর্থাৎ টলিউড অভিনেত্রী স্বস্তিকা ঘোষ ।অন্যদিকে লাল শাড়ি, সাদা ব্লাউজে অপরূপ সাজে দেখা গেলো ‘খড়ি’ অর্থাৎ শোলাঙ্কিকে । কিন্তু এখন এটাই প্রশ্ন হলো দেবীর কোন রূপে ধরা দেবেন তিনি (শোলাঙ্কি)? দর্শকেরা আশা করছেন দশভূজার মানবী রূপে দেখা যাবে তাদের প্রিয় খড়িকে।
সোনামণি এমন রূপ দেখে ভক্তরা লিখেছেন, ‘তোমাকেই সবচেয়ে বেশি মানিয়েছে দশভূজা হিসাবে। পারফেক্ট চয়েস’। প্রোমো প্রকাশ্যে আসতেই যেন কমেন্টে ভোরে যাচ্ছে।
এক সাক্ষাৎকারে সোনামনি জানান, মহালয়ার অংশ হওয়ার সুপ্ত ইচ্ছে তাঁর বরাবরে। তিনি বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত কোনও বছরই মহালয়ায় দেখা যায়নি আমাকে। তবে এই বছর যখন সুযোগটা আসে তখন আর না করতে পারিনি।’