নিয়ন্ত্রণরেখায় ফের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন পাকিস্তানের, পাল্টা জবাব ভারতীয় সেনার

নিয়ন্ত্রণরেখা (LoC) বরাবর ফের উত্তপ্ত পরিস্থিতি। পরপর তিন রাত ধরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে চলেছে পাকিস্তান। ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাক সেনা বিনা প্ররোচনায় গুলি চালাচ্ছে এবং ভারতীয় বাহিনীও তার যোগ্য জবাব দিচ্ছে। রবিবার ভারতীয় সেনার তরফে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরন উপত্যকায় বর্বরোচিত terrorist হামলায় অন্তত ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং অনেকে আহত হয়েছিলেন। পর্যটকদের উপর এই হামলার পর ভারত সরকার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এই আবহের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ভারতীয় সেনা posts লক্ষ্য করে continuous গুলি চালিয়ে যাচ্ছে পাক সেনাবাহিনী।
রবিবার নিরাপত্তা আধিকারিকদের জারি করা এক বিবৃতি অনুযায়ী, কাশ্মীর উপত্যকার তুতমারি গলি এবং রামপুর সেক্টরের বিপরীতে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর পাকিস্তান বিনা প্ররোচনায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। গত ২৬-২৭ এপ্রিল রাতে পাকিস্তানের একাধিক পোস্ট থেকে ছোট বন্দুক দিয়ে গুলি চালানো হয়। তবে, ভারতীয় সেনাবাহিনীও দ্রুত এবং forceful পাল্টা জবাব দিয়েছে।
পহেলগাঁওয়ের সন্ত্রাসী হামলার পর থেকেই দুই দেশের border-এ tension বৃদ্ধি পেয়েছে। নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর চলছে গোলাগুলি। পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গিদের নিষ্ক্রিয় করার লক্ষ্যে উপত্যকার প্রতিটি সীমান্তবর্তী এলাকায় জারি করা হয়েছে ‘হাই অ্যালার্ট’। এই পরিস্থিতিতে, গত বৃহস্পতিবার রাত, শুক্রবার এবং শনিবার ভোরের পর ফের একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে পাকিস্তানি সেনা রবিবার রাতেও হামলা চালিয়েছে। তবে, প্রতিটি হামলার পাল্টা জবাব দিয়ে ভারতীয় সেনা তাদের কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে।
এদিকে, উপত্যকায় লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের খুঁজে বের করতে সেনা, CRPF এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের joint team বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক চিরুনি তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। এই অভিযানের অংশ হিসেবে শনিবার দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগামে তল্লাশি চালানোর সময় দুই জঙ্গির সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে সেনার তরফে জানানো হয়েছে।
সেনার প্রকাশিত বিবৃতিতে further জানানো হয়েছে যে, মাতালহামা চক, ঠোকেরপোড়া এবং কাইমো এলাকায় তল্লাশি চালানোর সময় বিলাল আহমেদ ভাট এবং মহম্মদ ইসমাইল ভাট নামের ওই দুই জঙ্গির সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়। দুজনেই কাইমোর ঠোকেরপোড়া এলাকার বাসিন্দা। এই অভিযান উপত্যকায় শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার প্রতি ভারতীয় বাহিনীর commitment-এর অংশ।