পলাশীপাড়ায় তরুণীকে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার তিন যুবক !

নদীয়া জেলার পলাশিপাড়া থানা এলাকায় এক তরুণীকে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় পলাশিপাড়া থানার পুলিশ মূল অভিযুক্ত সহ তিন যুবককে গ্রেফতার করেছে। ঘটনার জেরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কৃষ্ণনগর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ওই তরুণী।
জানা গিয়েছে, গত সোমবার সন্ধ্যায় পলাশিপাড়া থানার বার্নিয়া এলাকার বাসিন্দা ওই তরুণী স্থানীয় বাজারে কেনাকাটার জন্য গিয়েছিলেন। সেখানেই এলাকারই এক যুবক, যার নাম রাহুল দাস বৈরাগ্য, ওই যুবতীকে ফোন করে ওই এলাকার একটি নির্মীয়মাণ হাসপাতালের কাছে দেখা করতে বলে। অভিযোগ, ওই তরুণী সেখানে গেলে রাহুল-সহ আরও তিনজন যুবক তাঁকে জোর করে ওই নির্মীয়মাণ হাসপাতালের ভিতরে নিয়ে যায়। সেখানেই মূল অভিযুক্ত রাহুল দাস বৈরাগ্য তাঁকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই ভয়াবহ ঘটনার পর ভয়ে ওই তরুণী প্রথমে বাড়িতে কাউকে কিছু বলতে পারেননি। কিন্তু পরবর্তীতে অত্যাধিক রক্তক্ষরণের কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বিষয়টি বাড়ির লোকজনের নজরে আসে। পরিবারের সদস্যরা তাঁর কাছ থেকে পুরো ঘটনাটি শুনে জানতে পারেন কী ঘটেছে।
এরপর তরুণীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হলে গতকাল, মঙ্গলবার রাতেই নড়েচড়ে বসে পলাশীপাড়া থানার পুলিশ। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মূল অভিযুক্ত রাহুল দাস বৈরাগ্য সহ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও দু’জনকে, অর্থাৎ মোট তিন জনকে গ্রেফতার করে। গতকাল সন্ধ্যায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই যুবতীকে কৃষ্ণনগর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে।
আজ, বুধবার ধৃত তিন যুবককে তেহট্ট মহকুমা আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাদের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।