পয়লা বৈশাখের লম্বা উইকএন্ডে ভোজন রসিক বাঙালির জন্য মহাভোজের আয়োজন ! কী কী পদ থাকছে জেনেনিন?

পয়লা বৈশাখ মানেই বাঙালির প্রাণের উৎসব। আর এই বছর উৎসবের আনন্দ আরও দ্বিগুণ, কারণ পয়লা বৈশাখের সঙ্গেই পড়েছে চারদিনের লম্বা উইকএন্ড। বাঙালির নববর্ষ মানেই নতুন করে সবকিছু শুরু করার এক অন্যরকম আবেগ। নতুন জামাকাপড়, হালখাতা আর অবশ্যই জিভে জল আনা বিশেষ খানাপিনা ছাড়া এই উৎসব যেন একেবারেই পূর্ণ হয় না।
বাঙালির এই বিশেষ উৎসবকে আরও মুখর করে তুলতে বিভিন্ন রেস্তোরাঁ নিয়ে এসেছে রাজকীয় ভোজের আয়োজন। যারা এখনও পয়লা বৈশাখে কোথায় খাবেন তা ঠিক করে উঠতে পারেননি, তাদের জন্য রইল এই প্রতিবেদন। কোথায় মিলবে এই বিশেষ ভোজ, কী কী পদ থাকছে আর কতদিন চলবে এই উৎসব, তার সমস্ত খুঁটিনাটি তথ্য দেওয়া হল এখানে।
আসছে ১৪৩২ বঙ্গাব্দের প্রথম দিন। আর এই পয়লা বৈশাখে বাঙালি যেমন মেতে ওঠে হালখাতা আর নতুন পোশাকে, তেমনই খাদ্যরসিক বাঙালি এই দিনে ডুবে থাকে খাঁটি বাঙালি খাবারের স্বাদে। ঘরে হোক বা বাইরে, রসনাতৃপ্তিতে এই দিনে বাঙালির জুড়ি মেলা ভার। আর এই সুযোগটিই নেয় কলকাতার বিভিন্ন জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ। তারা সেজে ওঠে পঞ্চব্যঞ্জনের সম্ভারে। তেমনই এক জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ তাদের সমস্ত আউটলেটে শুরু করছে বিশেষ উৎসব ‘এসো বৈশাখে’। এই উৎসবে ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবারের পাশাপাশি পাওয়া যাবে অন্যান্য জনপ্রিয় নানা ডিশের সমাহার। এই বৈশাখী উৎসব চলবে আগামী ১২ই এপ্রিল থেকে ১৫ই এপ্রিল পর্যন্ত। রেস্তোরাঁটির ডালহৌসি, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, সল্টলেক এবং কোলাঘাটের সমস্ত আউটলেটেই এই বিশেষ ভোজের আয়োজন করা হয়েছে।
রেস্তোরাঁটির প্রধান কর্ণধার কিংশুক সাহা জানান, “প্রত্যেক ভোজনরসিক বাঙালিই অপেক্ষা করে থাকে পয়লা বৈশাখের নতুন সাজসজ্জার আনন্দের সঙ্গে বিভিন্ন রকমের বাঙালি খাবার উপভোগ করার জন্য। আজকের কর্মব্যস্ত জীবনে বাঙালি বাড়িতে সেই চিরকালীন রান্নাগুলো প্রায় হয়ই না। কিন্তু আমাদের এই রেস্তোরাঁর মাধ্যমে প্রত্যেক বাঙালি সেই জিভে জল আনা খাবারগুলির স্বাদ নিতে পারবেন।”
বাংলা নববর্ষের সম্মানে এই প্রাণবন্ত খাদ্যোৎসবের মেনুতে থাকছে নস্টালজিক এবং সুস্বাদু নানা পদ। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল আম পোড়ার শরবত থেকে শুরু করে গন্ধরাজ চিকেন ফ্রাই, কচু পাতা চিংড়ি বাটা অথবা মুরগি বা লইট্টা শীলে বাটা, দম পোলাও অথবা ভোজ স্পেশাল ঢাকাই মোরগ পোলাও। এছাড়াও থাকছে বিখ্যাত মটন কষা ও সর্ষে ইলিশ, দই কাতলা, চিতল মুইঠ্যা, ডাব চিংড়ি এবং শেষ পাতে মিষ্টি দই অথবা নলেন গুড়ের আইসক্রিম। এখানেই শেষ নয়, নজরকাড়া নববর্ষের মহাভোজ থালিও থাকছে ভোজনরসিকদের জন্য। তাই আর দেরি না করে, নববর্ষের এই অমৃত সম্ভার নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন নতুন দিন শুরু করতে!