লাহোর বিমানবন্দরে কাস্টমস অফিসার ও যাত্রীদের মধ্যে তুমুল অশান্তি, এক মহিলাকে চুল ধরে টেনে হিড়হিড় করে নিয়ে গেলেন অফিসার

পাকিস্তানের লাহোরের আল্লামা ইকবাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোমবার (৭ এপ্রিল) চরম বিশৃঙ্খলার দৃশ্য দেখা গেল। আবুধাবি থেকে আগত দুই মহিলা যাত্রীর সঙ্গে কাস্টমস অফিসারদের কথাকাটাকাটি থেকে শুরু হয়ে ব্যাপক হাতাহাতিতে রূপ নেয় গোটা পরিস্থিতি। ঘটনায় এক মহিলা কাস্টমস অফিসারের চুল ধরে যাত্রীকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমে।
🎥 ভাইরাল ভিডিয়োতে যা দেখা গেল
একাধিক ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, একজন মহিলা যাত্রীকে চুল ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন এক কাস্টমস অফিসার। ওই সময় আশপাশে উপস্থিত যাত্রীরা চিৎকার করে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন। ঘটনাটি দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অনেক সাধারণ যাত্রীও।
🛄 কী নিয়ে বচসা?
সূত্র অনুযায়ী, আবুধাবি থেকে ফেরত আসা দুই মহিলা যাত্রীর লাগেজ সংক্রান্ত বিষয়ে শুরু হয় বিবাদ। ব্যাগ স্ক্যানিং ও তল্লাশির সময় কিছু জিনিসপত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, যাত্রীদের অসহযোগিতামূলক আচরণে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এক সময় কথাবার্তা হাতাহাতিতে পরিণত হয়।
👮♀️ চুল ধরে টানার পর কী হল?
ঘটনার পর ওই দুই মহিলার মধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে। কাস্টমস সূত্রে দাবি, যাত্রীদের মধ্যে একজন কর্তব্যরত সরকারি কর্মীর গায়ে হাত তোলেন, তার পরই কাস্টমস অফিসার চুল ধরে তাঁকে হিড়হিড় করে টেনে নিয়ে যান। যদিও সমাজমাধ্যমে অনেকেই এ ধরনের অমানবিক আচরণের তীব্র নিন্দা করেছেন।
🔍 তদন্তের দাবি উঠল
এই ঘটনার পর নেটদুনিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বহু মানুষ। অনেকে বলছেন, “যাত্রী যত ভুলই করুক, আইন রক্ষাকারী কর্মীর এমন আচরণ কাম্য নয়।” ইতিমধ্যে ঘটনার ভিডিও দেখে তদন্ত শুরু করেছে পাকিস্তান সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটি ও কাস্টমস বিভাগ।
📌 শেষ কথা
একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস অফিসার ও যাত্রীর মধ্যে এমন প্রকাশ্য সংঘর্ষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং কর্মীদের আচরণ নিয়েও বড় প্রশ্ন তুলে দিল। এ ঘটনার পর নিরাপত্তা ও প্রশিক্ষণের পরিকাঠামো পুনর্বিবেচনার দাবি উঠছে প্রশাসনের মধ্যে।
ঘটনার তদন্ত চলছে। কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।