OMG! ১ পরিবারের তিন শিশুসহ মারা যান ৬ জন, শোক প্রকাশ প্রতিবেশীদের

মিসরের আবু সেফেইন কপটিক ক্রিস্টান চার্চে আগুনের ঘটনায় ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এর মধ্যে অন্তত ১৫ জনই ছিল ফুটফুটে শিশু। সোমবারের এ আগুন মিসরসহ বিভিন্ন দেশের মানুষের মনে দাগ কাটে। ঐ আগুনে ১৫ শিশুর মধ্যে একটি পরিবারের তিনজন ও অপর পরিবারের জমজ বোন মারা যান।– খবর বিবিসির।
আত্মীয়, চার্চের কর্মকর্তা, স্থানীয় হাসপাতাল ও মিসরের সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, একটি পরিবারের পাঁচ বছরের তিনজন সন্তান আগুনে মারা যান। তারা হচ্ছেন- মহরায়েল, ইউসেফ ও ফিলোপেটর বাসেম আমির।
তিন শিশুই তাদের মা ইরিনা আতেজ রামজি (৩৪), দাদি মাগদা হাবিব নাবিহ (৬১) ও তাদের খালা মিরনা আতেজ রামজি (২৫)।
ইরিনার চাচাতো বোন মিসরের গায়িকা মিরতিয়া ইমাদ একটি ফেসবুক পোস্টে তাদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।
তিনি ঐ পোস্টে লিখেন, যিশুর সঙ্গে মিলে যাওয়ায় অনেক ভালো। আমাদের দয়ার সিংহাসনে স্মরণ করুন। তিনি আরো লিখেন, স্বর্গে আমাদের ছয়জন দরবেশ রয়েছে।
শুধু মিরতিয়া ইমাদের পরিবার নয়, অন্যান্য পরিবারও তাদের সন্তানদের হারিয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচ বছরের মারিয়াম ও বারসিনা তামির ওয়াজিহ নামক জমজ বোনের মৃত্যু হয়েছে ঐ অগ্নিকাণ্ডে।
শনিবার রাতের একটি ছবিতে দেখা যায়, শিশুদের কফিনের পাশে তার মা আর্ত্মনাদ করছেন।
এখনো হাসপাতালে ১০ বছরের কার্লোস আরইয়ান, ১৩ বছরের মিনা আজমি ও ১৬ বছরের মিনা ফাকির চিকিৎসাধীন রয়েছে।
দ্য কপট ইউনাইডেট নিউজ ওয়েবসাইট বলছে, কার্লোসের মা সেই অগ্নিকাণ্ডে মারা গেলেও তার ভাই রামি এখনো জীবিত রয়েছে।
রামি রোববার হাসপাতালে শয্যায় থেকে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মায়ের সঙ্গে দুই ভাই একসাথে ছিলাম। কিন্তু যখন আগুনের শিখা ছড়িয়ে পড়লো তখন আমরা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলাম। পরে আমি তাদের সঙ্গে কি হয়েছে জানতে পারিনি।
মিন নামের একজন দাবি করেছেন, ঐ অগ্নিকান্ডে তিনি তার দুটি সন্তানকে হারিয়েছেন।