গরমের ছুটি নিয়ে উঠছে নতুন বিতর্ক! টানা দেড় মাস থাকবে ছুটি? কবে থেকে ছুটি বাংলার স্কুলে?

বাংলায় এই বছরের গরমের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায়, স্কুলগুলিতে ক্লাসের সময় এগিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তীব্র গরমের কারণে ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে শিক্ষা দপ্তর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে, গরমের ছুটি নিয়ে উঠেছে নতুন বিতর্ক।
বর্তমানে, স্কুলগুলিতে ক্লাসের সময় সকাল থেকে শুরু করতে হবে, যাতে গরমের তীব্রতা কমানোর চেষ্টা করা যায়। শিক্ষকদের একাংশের দাবি, গরমের ছুটির সময় কম দেওয়ার চেয়ে সকালের দিকে স্কুল চালানো অনেক ভালো। তবে, অন্যদিকে, আরও কিছু শিক্ষক ও অভিভাবকরা বলছেন, ছোট স্কুল পড়ুয়াদের কথা ভেবে গরমের ছুটি আরও কিছুটা বাড়ানো উচিত।
এ বিষয়ে শিক্ষক মহলের একাংশের দাবি, গত কয়েক বছরে সরকার কখনও কখনও গরমের ছুটির ঘোষণা করে দেয়, যা শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়ের জন্য সমস্যার সৃষ্টি করে। এবছর তারা চান যাতে গরমের ছুটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করা হয়, এবং তা অতি প্রয়োজনীয় হলে সকালে স্কুল পরিচালনা করা হোক।
‘কলেজিয়াম অব অ্যাসিস্ট্যান্ট হেডমাস্টার্স অ্যান্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট হেডমিস্ট্রেসেস’-এর সম্পাদক সৌদীপ্ত দাস জানান, “গরমের ছুটি সাধারণত ১০ থেকে ১১ দিন নির্ধারিত থাকে, কিন্তু পরিস্থিতির কারণে তা প্রায় দেড় মাস হয়ে যায়। তবে, কেন আগে থেকে পরিকল্পনা করে গরমের ছুটি নির্ধারণ করা হয় না? হঠাৎ করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যেন আর না হয়।”
এদিকে, কলকাতার বিভিন্ন স্কুলের পক্ষ থেকে এখনও গরমের ছুটির দিনসূচি ঘোষণা করা হয়নি। তবে, এরই মধ্যে স্কুলের সময়সূচি পরিবর্তন করার ব্যাপারে আলোচনা চলছে। এপ্রিল মাস থেকে স্কুলের সময়সূচি সকাল থেকে শুরু করা হতে পারে, এবং বিশেষত গরমের ছুটির বিষয়ে কোনও নতুন সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
গরমের ছুটির দিন ও স্কুলের সময়সূচি নিয়ে বিতর্কের মধ্যে, শিক্ষক ও অভিভাবকরা একযোগে একটি সমাধান খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। তবে, এটি নিশ্চিত যে, গরমের ছুটির সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া এই বছর আরও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, যাতে শিশুদের শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য কোনওভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।