জিবিপি হাসপাতালে নতুন ভবন ও পরিষেবার সম্প্রসারণ”, ২০২৭ সালের মধ্যে শেষ হবে নির্মাণ কাজ

ত্রিপুরার প্রধান হাসপাতাল গোবিন্দ বল্লভ পন্থ (জিবিপি) হাসপাতালে রোগী ভিড় সামলাতে নতুন ভবন নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। রাজ্য বিধানসভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের মধ্যে এই নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে। পাশাপাশি, রোগীদের উন্নত চিকিৎসা প্রদানের জন্য ইতিমধ্যেই হাসপাতালের ৯টি বিভাগে সুপার স্পেশালিটি পরিষেবা চালু করা হয়েছে।
জিবিপি হাসপাতালে নতুন ভবন ও পরিষেবা সম্প্রসারণ
মুখ্যমন্ত্রী সাহা জানান, বর্তমানে জিবিপি হাসপাতালে কিছু বিভাগে রোগীদের স্থান সংকুলানের সমস্যা রয়েছে। এই সমস্যা সমাধানে নতুন ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে, যা ২০২৭ সালের মধ্যে শেষ হবে। নির্মাণ শেষ হলে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো নতুন ভবনে স্থানান্তরিত হবে, যা রোগীদের জন্য আরও বেশি সুবিধা নিশ্চিত করবে।
সুপার স্পেশালিটি পরিষেবার তালিকা
জিবিপি হাসপাতালে ইতিমধ্যে নিম্নলিখিত ৯টি বিভাগে সুপার স্পেশালিটি চিকিৎসা পরিষেবা চালু হয়েছে:
- কার্ডিওলজি
- সি.টি.ভি.এস ও আইআর (হৃদরোগ ও ইন্টারভেনশনাল রেডিওলজি)
- নিউরোলজি
- নিউরোসার্জারি
- ইউরোলজি
- নেফ্রোলজি (কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ)
- প্লাস্টিক সার্জারি
- গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি
- গ্যাস্ট্রো সার্জারি
উন্নত চিকিৎসার পরিসংখ্যান
- ৬০টি ওপেন হার্ট সার্জারি সম্পন্ন হয়েছে।
- ২২টি করোনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফ্ট (CABG) সার্জারি করা হয়েছে।
- ২টি কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে (২০২২-২০২৫ সময়কালে)।
- ১৫ জন সুপার স্পেশালিস্ট ডাক্তার নিয়োজিত রয়েছেন, যাদের মধ্যে ১১ জন স্থায়ী এবং ৪ জন চুক্তিভিত্তিক।
জেলা ও মহকুমা হাসপাতাল থেকে রেফারেল ব্যবস্থা
মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চলের রোগীরা প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে যান। তবে, জটিল রোগের ক্ষেত্রে জিবিপি হাসপাতালে রেফার করা হয়, কারণ এখানে উন্নত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে।
চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতিশ্রুতি
ডাঃ সাহা বলেন, “জিবিপি হাসপাতালে রোগীদের সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য আমাদের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য হলো, কোনো আপস ছাড়াই প্রতিটি রোগীকে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করা।”