মালদহে ভুয়ো কাস্ট সার্টিফিকেটে শিক্ষকতার চাকরি! তদন্তে পুলিশ ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ

পুলিশের কনস্টেবল পদে ভুয়ো কাস্ট সার্টিফিকেট দেখিয়ে চাকরি পাওয়ার অভিযোগের পর এবার নতুন একটি চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে মালদহ থেকে। অভিযোগ, ভুয়ো কাস্ট সার্টিফিকেট ব্যবহার করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন কয়েকজন শিক্ষক। এই ঘটনায় রাজ্য পুলিশের অ্যান্টি করাপশন ব্রাঞ্চের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ, যার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সূত্রে জানা গেছে, রাজ্য পুলিশের অ্যান্টি করাপশন ব্রাঞ্চ মালদহে ভুয়ো কাস্ট সার্টিফিকেট নিয়ে শিক্ষকতার চাকরি করা কয়েকজন শিক্ষকের নাম, ঠিকানা ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য পাঠিয়েছে। চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এখন তদন্ত শুরু করেছে এবং মালদহ জেলার ডিস্ট্রিক্ট প্রাইমারি স্টেট কাউন্সিল চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দিয়েছে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য।

২০১৭ সালে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। পর্ষদ সূত্রে আরো বলা হয়েছে যে, চিঠির পর ভুয়ো কাস্ট সার্টিফিকেটে নিয়োগ পাওয়া অন্য শিক্ষকদের বিষয়ে আরও খোঁজখবর শুরু করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল এই বিষয়ে বলেছেন, “এটা ঠিক যে আমরা চিঠি পেয়েছি। মালদহ জেলার ডিপিএসসি চেয়ারম্যানের থেকে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। আমরা সতর্ক রয়েছি।”

এখন প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে এত বড় একটি কেলেঙ্কারি এড়িয়ে গেল এবং এই সমস্ত ভুয়ো কাস্ট সার্টিফিকেট ব্যবহারকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কিভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে দ্রুত তদন্ত শুরু করার দাবি উঠেছে।

এখন দেখার বিষয়, মালদহের এই শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি তদন্তে কতটা গুরুত্ব পায় এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়।