১৭ ঘণ্টার যাত্রা শেষে পৃথিবীর মাটিতে পা রাখলেন সুনীতারা, প্রথম ‘স্বাগত’ জানাল কারা? দেখুন ভিডিও

সমগ্র বিশ্ব অপেক্ষায় ছিল সেই মাহেন্দ্রক্ষণে। ১৭ ঘণ্টার দীর্ঘ যাত্রা শেষে পৃথিবীর মাটিতে ফিরলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস ও তাঁর সঙ্গী বুচ উইলমোর। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন নাসার নিক হগ এবং রাশিয়ার আলেকজান্ডার গর্বুনভ।২৮৬ দিন পর মহাকাশ থেকে ফিরলেন সুনীতা ও বুচ।ফ্লোরিডার আটলান্টিক মহাসাগরে সফল অবতরণ করল স্পেসএক্স ড্রাগন যান।বিশ্বের মানুষ নজর রেখেছিল এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে, কিন্তু সবচেয়ে অদ্ভুত অভ্যর্থনা দিল ডলফিনের দল!

প্রথম ‘স্বাগত’ জানাল কারা?
ফ্লোরিডার উপকূলে যখন ড্রাগন ক্যাপসুল অবতরণ করল, তখন সেখানে প্রস্তুত ছিলেন নাসার উদ্ধারকারী দল। তবে তাঁদের আগেই, সমুদ্রের একদল ডলফিন যেন সুনীতাদের ফেরার জন্য অপেক্ষায় ছিল!

একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে—ডলফিনরা ড্রাগন ক্যাপসুলের চারপাশে ঘিরে ঘুরছে!ক্যাপসুলের পাশে লাফিয়ে উঠছে, যেন ‘স্বাগত’ জানাতে এসেছে!সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আনন্দে নাচছে ডলফিনের দল!

বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থেকেছে, কিন্তু ডলফিনদের এমন অভ্যর্থনা সত্যিই অবাক করেছে সবাইকে! অনেকেই মনে করছেন—”মানবসভ্যতার পাশাপাশি প্রকৃতির প্রাণীরাও যেন সুনীতাদের ফেরার অপেক্ষায় ছিল!এ এক অনন্য মুহূর্ত— যেন মহাকাশ থেকে ফিরে আসা এক বিজয়ীর প্রতি প্রকৃতির শুভেচ্ছা!”

২৮৬ দিন মহাকাশে কাটানোর পর, সুনীতা এবং তাঁর সঙ্গীদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনের জনসন স্পেস সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হবে।সেখানে তাঁদের শারীরিক পরীক্ষা করা হবে।নাসার ফ্লাইট সার্জনদের অনুমোদনের পরই তাঁরা পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন।

এই অভিযান শুধু প্রযুক্তির জয় নয়, প্রকৃতি ও মানুষের এক অনন্য সংযোগের প্রতিচ্ছবি হয়ে রইল। মানুষ অপেক্ষা করেছিল, নাসা অপেক্ষা করেছিল— কিন্তু ডলফিনরাও অপেক্ষা করেছিল, তা কে ভেবেছিল?