“তৃণমূল কংগ্রেস যৌন হিংসাকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে”- বললেন অমিত মালব্য

পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ে প্রাক্তন বিজেপি নেত্রীকে তৃণমূল পার্টি অফিসে ডেকে ধর্ষণের অভিযোগে সরব হয়েছেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে যৌন হিংসাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ তোলেন।
বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যর দাবি, রবিবার সকাল ১০টা নাগাদ নারায়ণগড় বিধানসভার তেঁতুলমুড়ি এলাকায় মকরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য ও তৃণমূল নেতা লক্ষণ শীট এবং শান্তি ভূঁইয়া এক প্রাক্তন বিজেপি মহিলা নেত্রীকে তৃণমূলের পার্টি অফিসে ডেকে পাঠান। অভিযোগ, ওই নেত্রীকে বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার মুচলেকায় স্বাক্ষর করতে চাপ দেওয়া হয়।
এরপরই ওই মহিলা বিজেপি কর্মীকে পার্টি অফিসের মধ্যেই ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। তিনি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে তাঁকে প্রথমে মকরামপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তর করা হয়।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অমিত মালব্য কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন,”২০২১ সাল থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস বারবার যৌন হিংসাকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে। এখন প্রাক্তন বিজেপি কর্মীদেরও এই নির্মম নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হিংস্র শাসনের বিরুদ্ধে রাজ্যজুড়ে বৃহত্তর আন্দোলন শুরু হবে।”
এ বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে দলের একাংশের দাবি, এই অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিজেপির মিথ্যা প্রচার।
ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। আহত মহিলার শারীরিক পরীক্ষার রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।