রায়বেরিলির একটি বাড়িতে তুমুল সংঘর্ষে আহত ১২ জন, আসল কারণ তদন্ত করছে পুলিশ

রায়বেরিলির একটি বাড়িতে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বাঁশ, ইট, লাঠি নিয়ে দুটি পক্ষের মধ্যে মারপিট শুরু হয়, যা বাড়ির ভিতর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় কমপক্ষে ১২ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে রায়বেরিলির গুরবক্সগঞ্জ এলাকায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি বাড়ির ভিতরে ঢুকে দুটি পক্ষের মধ্যে তীব্র মারপিট চলছে। ভিডিওটি দেখেই বোঝা যায়, পরিস্থিতি কতটা উত্তপ্ত ছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হঠাৎ করেই এই সংঘর্ষ শুরু হয় এবং তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
<blockquote class=”twitter-tweet” data-media-max-width=”560″><p lang=”hi” dir=”ltr”>📢 रायबरेली: दबंगई का वीडियो वायरल ⚠️<br><br>लाठी-डंडों व कुल्हाड़ी से मारपीट का मामला। घर में घुसकर हमला, एक दर्जन लोग घायल। घटना का वीडियो सोशल मीडिया पर वायरल। पुलिस ने दोनों पक्षों की तहरीर पर दर्ज किया केस। घायलों का जिला अस्पताल में इलाज जारी। <br><br>📍 गुरबख्शगंज थाना क्षेत्र के… <a href=”https://t.co/gaNDbFotu5″>pic.twitter.com/gaNDbFotu5</a></p>— भारत समाचार | Bharat Samachar (@bstvlive) <a href=”https://twitter.com/bstvlive/status/1898942519028994400?ref_src=twsrc%5Etfw”>March 10, 2025</a></blockquote> <script async src=”https://platform.twitter.com/widgets.js” charset=”utf-8″></script>
আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। স্থানীয় হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা চলছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে এবং সংঘর্ষে জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে তৎপরতা শুরু করে।
এই সংঘর্ষের সঠিক কারণ এখনও অস্পষ্ট। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দুটি পক্ষের মধ্যে পূর্ববর্তী বিবাদ বা ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বই এই ঘটনার পেছনে মূল কারণ হতে পারে। তবে, পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে আসল কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সংঘর্ষে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে অভিযান চলছে। এছাড়াও, এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনও এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং দ্রুত বিচারের আশ্বাস দিয়েছে।
এই ঘটনা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা শান্তি ফিরে পাওয়ার জন্য প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। পুলিশ ও প্রশাসনের তরফ থেকে বলা হয়েছে, এই ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সে জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।