হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েই গ্রেফতার প্রসূন দে, ট্যাংরা-কাণ্ডে বড় আপডেট

সোমবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েই পুলিশের জালে ধরা পড়লেন ট্যাংরা-কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত প্রসূন দে। সকাল থেকেই জল্পনা ছিল— তবে কি আজই গ্রেফতার করা হবে? শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনাই সত্যি হলো।
এর আগে পুলিশি জেরায় প্রসূন স্বীকার করেছিলেন, তিনি নিজের স্ত্রী, বৌদি এবং মেয়েকে খুন করেছেন।
ভয়াবহ ট্যাংরা-কাণ্ড: কী ঘটেছিল সেদিন?
গত ১৯ ফেব্রুয়ারি, ট্যাংরার এক বাড়িতে ভয়ংকর ঘটনা ঘটে। দুই ভাই— প্রসূন দে ও প্রণয় দে এবং এক নাবালক শিশু গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার হয়। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে তারা জানান, বাড়ির ভেতরে আরও তিনটি দেহ পড়ে আছে। পুলিশ সেখানে গিয়ে আবিষ্কার করে দুই ভাইয়ের স্ত্রী এবং এক নাবালক কন্যার নিথর দেহ।
ঘটনার পর থেকেই প্রসূনের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ ছিল পুলিশের। তদন্তের একাধিক স্তরের পর অবশেষে তাঁকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতেই গ্রেফতার
২৪ ফেব্রুয়ারি, বেসরকারি হাসপাতাল থেকে প্রসূন দে-কে স্থানান্তর করা হয় এনআরএস হাসপাতালে। দীর্ঘ চিকিৎসার পর সোমবার তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান। আর সেখান থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করে লালবাজারের পুলিশ।
প্রসূনের বিরুদ্ধে আগেই খুনের মামলা দায়ের করেছিল পুলিশ। পাশাপাশি তাঁর শ্বশুরমশাই-ও পৃথকভাবে অভিযোগ দায়ের করেন। অবশেষে, লালবাজারের তরফে সোমবার তাঁর গ্রেফতারির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।
পরবর্তী পদক্ষেপ
পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার (৫ মার্চ) অভিযুক্ত প্রসূন দে-কে নিজেদের হেফাজতে নেবে পুলিশ। এরপর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। ট্যাংরা-কাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য ও খুনের কারণ জানতে আরও গভীর অনুসন্ধান চালাবে তদন্তকারীরা।