ট্রাম্পের চমক: ইউক্রেনকে হাতে নয়, পাতে মার! অনুদান বন্ধে শক্তি বাড়ল পুতিনের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় ফিরে আসার পর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে দেওয়া আর্থিক অনুদান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই তালিকায় বাংলাদেশের নামও রয়েছে। ট্রাম্পের যুক্তি, মার্কিন নাগরিকদের কষ্টার্জিত ট্যাক্সের অর্থ অন্য দেশে বিলিয়ে দেওয়া উচিত নয়। তবে, ইউক্রেনকে দেওয়া অনুদান এতদিন বজায় রাখলেও এবার সেই অনুদানও বন্ধ করে দিলেন তিনি।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু যুদ্ধ থামানোর পরিবর্তে তিনি এবার ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। সম্প্রতি হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সামনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন ট্রাম্প। এরপরই ইউক্রেনকে দেওয়া সামরিক অনুদান বন্ধের ঘোষণা দেন তিনি।

সোমবার হোয়াইট হাউস থেকে একটি বিবৃতি জারি করে এই সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দেখানো হয়। ট্রাম্পের অফিসের এক আধিকারিক জানান, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধ নয়, শান্তি চান। রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত তিন বছর ধরে চলছে। এই সংঘাত বন্ধ করতে চাইলে ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়া বন্ধ করা জরুরি।”

অন্যদিকে, জেলেনস্কি এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “যত দ্রুত সম্ভব এই যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে।” তবে, ট্রাম্পের এই কৌশলে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের শক্তি বাড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা বন্ধ করে ট্রাম্প যেন পুতিনের হাতকে আরও শক্তিশালী করে দিলেন।

এই সিদ্ধান্তের ফলে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি হয়েছে। ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়লেও, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপে রাশিয়ার অবস্থান আরও শক্তিশালী হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।