কেরলের ভোটে বড় চমক! তৃণমূলের সঙ্গে এক হল এই কংগ্রেস দল

২০২৬ সালের আগেই জাতীয় দলের স্বীকৃতি ফিরে পেতে বড়সড় পদক্ষেপ নিল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের সীমানা পেরিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান মজবুত করতে এবার দক্ষিণে পা রাখছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। আর শুরুতেই তৃণমূলের বড়সড় চমক—কংগ্রেসের একাংশ তাদের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে!
কেরলের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে চলেছে। কেরল কংগ্রেস (ডেমোক্রেটিক), যা এক বছর আগে কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আলাদা হয়েছিল, এবার তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। সাজি মাঞ্জাকাদ্মবিলের নেতৃত্বাধীন এই দল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে যে তারা তৃণমূলের সঙ্গে একীভূত হবে।
কেন তৃণমূলের পথে কেরল কংগ্রেস (ডেমোক্রেটিক)?
এনডিএ-তে থাকার পরও যথাযথ গুরুত্ব না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন সাজি মাঞ্জাকাদ্মবিল। কেন্দ্রীয় সরকার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে তাদের মতামত শোনেনি বলে দাবি করেছেন তিনি। রবারের দাম কমা থেকে শুরু করে বন্যপ্রাণীর হানার মতো ইস্যুতে উপেক্ষিত বোধ করছিল তাঁর দল।
তৃণমূলের লাভ কী?
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংযুক্তির ফলে দুই দলই লাভবান হবে। তৃণমূল কংগ্রেস দক্ষিণ ভারতে নিজেদের ভিত্তি শক্ত করতে চাইছে, বিশেষ করে কেরলের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে। ক্যাথলিক চার্চের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তুলে ধরে প্রচার চালাতে পারে তৃণমূল।
আগামী এপ্রিলেই কোট্টায়ামে তৃণমূল ও কেরল কংগ্রেস (ডেমোক্রেটিক) যৌথ সম্মেলন করার পরিকল্পনা করেছে। এই জোট কেরলের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।