জমি দখলে বাধা দেওয়ায় তৃণমূলের হামলা, রেহাই পেল না ৭ মাসের শিশুও

উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারের বৌসা গ্রামে একটি ক্লাব তৈরির জন্য জমি দখলে বাধা দেওয়ায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে এক পরিবারকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, এলোপাথাড়ি মারধর করা হয়েছে মহিলাদেরও, এমনকি ৭ মাসের শিশুকেও রেহাই দেওয়া হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা সইদুর ও তাঁর স্ত্রী রেশমা খাতুনের দাবি, তাঁদের বাড়ির একটি অংশ দখল করে ক্লাব তৈরি করতে চাইছিলেন স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য সইদুল শেখ। কিন্তু তাঁরা আপত্তি জানালে বৃহস্পতিবার রাতে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় সইদুল ও তাঁর দলবল।

রেশমা খাতুন জানান,”আমাকে বেধড়ক মারধর করেছে। আমার ৭ মাসের শিশুটিকেও ছাড়েনি। পঞ্চায়েত সদস্যের ১৫ জন গুন্ডা অস্ত্র ও বন্দুক নিয়ে হামলা চালিয়েছে। আমার ননদ গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি।”

তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন পঞ্চায়েত সদস্য সইদুল শেখ। তাঁর পাল্টা দাবি,”ওদের জমির মধ্যেই আমাদের ২ শতক জায়গা রয়েছে। সেখানেই ক্লাব তৈরি করা হচ্ছে। ওদের কোনও সমস্যা করা হয়নি। মারধরের অভিযোগ ভিত্তিহীন।”

এই ঘটনার পর তৃণমূলের ব্লক সভাপতি কার্তিক দাস আশ্বাস দিয়েছেন, মহিলাদের গায়ে কেউ হাত দিয়ে থাকলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সংঘর্ষ প্রমাণ করে, ক্ষমতার লড়াই এখন আর বিরোধীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, শাসকদলের অন্দরেও দ্বন্দ্ব ক্রমশ প্রকট হয়ে উঠছে।