Budget2025: বাজারে জিনিসের দাম থেকে চাকরি? প্রত্যাশা পূরণ হবে কি মধ্যবিত্তের?

তৃতীয় মোদী সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। ৭ ফেব্রুয়ারি, অর্থমন্ত্রী বাজেট পেশ করবেন অষ্টমবারের মতো, এবং এ নিয়ে জনমানসে নানা প্রশ্ন এবং আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আগামী বাজেট সাধারণ মানুষের জীবনে কতটা পরিবর্তন আনবে? কর্মসংস্থান, আয় এবং মধ্যবিত্তের জন্য কী সুখবর থাকবে? বাংলার জন্য এই বাজেট কতটা উপকারী হবে? এসবই এখন চর্চার কেন্দ্রবিন্দু।

টিভি ৯ বাংলার রিপোর্ট অনুযায়ী, হাওড়া স্টেশনে বিভিন্ন সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললে দেখা যায় যে, তাদের মধ্যে কিছুটা আশাবাদ, আবার কিছুটা হতাশাও রয়েছে। একদল মানুষ মনে করছেন, “এই বছর বাজেটের মধ্যে কিছু ভালো উদ্যোগ থাকতে পারে, তবে আশা পূর্ণ হতে কতটুকু সময় লাগবে, সেটা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।” কেউ আবার বলছেন, “প্রত্যেক বছরেই আশায় বুক বাঁধি, কিন্তু পরে দেখি কিছুই হয় না।”

মধ্যবিত্তরা প্রধানত আয়কর এবং ট্যাক্স ছাড়ের আশায় রয়েছেন। একজন সাধারণ চাকরিজীবী বলেছেন, “আমরা আশা করছি যে আয়কর বিষয়ে কিছুটা ছাড় দেওয়া হবে, কারণ সব কিছুই এত ব্যয়বহুল হয়ে গেছে।” অন্যদিকে, এক ব্যক্তি বলেছেন, “তেল এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমানো হলে আমাদের জীবনে বড় পরিবর্তন আসতে পারে।” তবে, অন্যদের মতে, “যতই বাজেট ঘোষণা হোক, দিন শেষে কিছুই পরিবর্তন হয় না।”

মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত শ্রেণীর মানুষের উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম। সাধারণ মানুষের দাবি, “সাধারণ জীবনযাপনের জন্য জিনিসপত্রের দাম মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে হবে।” এদিকে, এক ওষুধের দোকানদারের মতে, “স্বল্প সঞ্চয়ের সুদের হার বৃদ্ধি না করলে সাধারণ মানুষের পক্ষে কিছুই বাঁচানো সম্ভব হবে না।”

কর্মসংস্থান নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা স্পষ্ট। “কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য কি সত্যিই কোনো বড় পদক্ষেপ নেওয়া হবে? নাকি শুধু কথায় বলার জন্য তা হবে?” এমন প্রশ্নও তুলছেন অনেকেই।

এই বাজেটের মাধ্যমে মোদী সরকার যে সমস্যাগুলোর সমাধান করতে চাইছে, তা জনসাধারণের প্রত্যাশা পূরণ করবে কিনা, তা সময়ই বলবে। তবে, সাধারণ মানুষের মধ্যে যে এক ধরণের হতাশা এবং অস্থিরতা রয়েছে, তা স্পষ্ট। আসলে, বাজেটের সুফল কীভাবে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রতিফলিত হবে, সেই অপেক্ষাতেই রয়েছেন তারা।