ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন সকল যাত্রী, ট্রাম্পের দায় ঠেলার অভিযোগ

আমেরিকায় ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন সকল যাত্রী। একটি জেট বিমানের সঙ্গে মার্কিন সেনার ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে বিমানের ৬৭ জন যাত্রীর কেউই বেঁচে নেই বলে জানা গেছে। মার্কিন ইতিহাসে গত দুই দশকের মধ্যে এটি সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা হিসেবে ধরা হচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ নেওয়ার পরপরই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। তবে ট্রাম্প দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করেছেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও বারাক ওবামাকে। যদিও তার দাবির পক্ষে কোনও প্রমাণ নেই, তবুও তিনি অভিযোগ করেছেন যে ফেডেরাল ডাইভার্সিটি পলিসি বা নীতির কারণেই এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে।
দুর্ঘটনাটি ঘটে রেগান ওয়াশিংটন ন্যাশনাল এয়ারপোর্টের সামনে, যখন আমেরিকান ইগল ফ্লাইট ৫৩৪২-এর সঙ্গে মার্কিন সেনার ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ হয়। বিমানে ৬০ জন যাত্রী এবং ৪ জন ক্রু সদস্য ছিলেন, আর হেলিকপ্টারে ছিলেন তিনজন সেনা জওয়ান।
যদিও দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়, তবে রেডিও যোগাযোগে শোনা গিয়েছিল যে হেলিকপ্টারটিকে গতিপথ বদলানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এরপরই সংঘর্ষ ঘটে।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক বৈঠকে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই দুর্ঘটনার জন্য মার্কিন সেনার হেলিকপ্টারের পাইলটের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। পাশাপাশি, তিনি ফেডেরাল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সুরক্ষা ব্যবস্থার শিথিলতা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন। ট্রাম্প বলেন, “আমরা জানি না কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, তবে বেশ কিছু ধারণা ও মতামত উঠে আসছে।”
এই দুর্ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে যে খুব শীঘ্রই প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটিত হবে।