Budget2025: সোনার দাম বেড়েই চলেছে! বাজেটের পর কেমন হবে দাম? কি বলছে বিশেষজ্ঞরা?

নতুন বছরের শুরু থেকেই সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী। প্রতিদিনের দাম বৃদ্ধিতে চিন্তিত সাধারণ মানুষ। আসন্ন বাজেটকে কেন্দ্র করে সবার মনে একটাই প্রশ্ন, বাজেটের পর কি সোনার দাম কমবে?
এই পরিস্থিতিতে, গ্রহরত্ন শিল্পখাতে জিএসটি (GST) কমানোর জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। বর্তমানে ৩ শতাংশ জিএসটি-কে কমিয়ে ১ শতাংশ করার দাবি উঠেছে। মনে করা হচ্ছে, জিএসটি কমলে এই শিল্পের আর্থিক চাপ কমবে এবং গ্রাহকরাও স্বস্তি পাবেন।
অল ইন্ডিয়া জেমস অ্যান্ড জুয়েলারি ডোমেস্টিক কাউন্সিলের (জিজেসি) চেয়ারম্যান রাজেশ রোকাদে জানান, সোনার দাম বৃদ্ধি এবং বর্তমান জিএসটি হারের কারণে শিল্প এবং গ্রাহক, বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলের মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তিনি মনে করেন, কর হ্রাস পেলে গ্রাহকদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে।
কাউন্সিল আরও কিছু সুপারিশ করেছে:
প্রাকৃতিক এবং ল্যাব-উৎপাদিত হীরার উপর আলাদা জিএসটি হার ধার্য করা উচিত।
রত্ন ও গয়না শিল্পের জন্য একটি পৃথক মন্ত্রক তৈরি করতে এবং রাজ্যভিত্তিক নোডাল অফিস স্থাপনের জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ইএমআই (EMI) সুবিধা এবং সোনার নগদীকরণ প্রকল্পের উন্নতির উপর জোর দেওয়া হয়েছে। জিজেসি-র ভাইস চেয়ারম্যান অবিনাশ গুপ্ত জানান, ইএমআই সুবিধা চালু হলে গ্রাহকদের গয়না কেনা সহজ হবে। একই সাথে, সোনার মনিটাইজেশন স্কিম উন্নত করে দেশীয় বর্জ্য সোনা ব্যবহার করা যেতে পারে, যা আমদানি কমিয়ে দেশকে আত্মনির্ভর করে তুলবে।
আশা করা হচ্ছে, ২০২৫ সালের বাজেটে এই দাবিগুলি বিবেচনা করা হবে এবং সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ভারতে সোনার চাহিদা মেটাতে তা আমদানি করতে হয়, যার উপর শুল্ক ধার্য করা হয়। পূর্বে সোনার উপর ১২.৫ শতাংশ শুল্ক ছিল, যা বর্তমানে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। ভারত সরকার জুলাই ২০২৪ সালের বাজেটে স্বর্ণ ও রৌপ্য বারের উপর শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬ শতাংশ করেছে।
এই প্রতিবেদন থেকে স্পষ্ট যে, সোনার মূল্যবৃদ্ধি একটি উদ্বেগের কারণ এবং শিল্প সংস্থাগুলি সরকারের কাছে কিছু সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের আবেদন জানিয়েছে, যা গ্রাহক এবং ব্যবসায়ীদের জন্য সহায়ক হতে পারে। এখন দেখার বিষয়, আসন্ন বাজেটে সরকার এই বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়।