বড় পতন জ়োম্যাটোর স্টকে, Buy নাকি Hold? কি করবেন জানালেন বিশেষজ্ঞরা?

সোমবারের ধাক্কার রেশ মঙ্গলবার বাজারে সাধারণভাবে না দেখা গেলেও, কিছু স্টকে বেশ বড় পতন হয়েছে। তাদের মধ্যে অন্যতম হল জোম্যাটো। মঙ্গলবার বাজার খোলার পর থেকেই অনলাইন ফুড ডেলিভারি সংস্থাটির স্টকের দামে পতন দেখা যায়।

স্টক পতনের কারণ:
সকালে এক সময় জোম্যাটোর স্টকের দাম ৫ শতাংশ পর্যন্ত পড়ে যায়। বিএসই-তে ৪.৮ শতাংশ পতনের সাথে দাম ২৫২.০৫ টাকায় নেমে আসে।ব্রোকারেজ ফার্ম জেফ্রিস জোম্যাটোর স্টক নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে এবং তাদের রেটিং Buy থেকে Hold করে দেয়।জেফ্রিস জোম্যাটোর টার্গেট প্রাইস ১৮ শতাংশ কমিয়ে ৩৩৫ টাকা থেকে ২৭৫ টাকা করে দিয়েছে, যার পরেই স্টকের দামে এই পতন দেখা যায়।

আর্থিক চিত্র:

সোমবার জোম্যাটো ২৬৪.৬ টাকায় বাজার শেষ করেছিল। নতুন টার্গেট প্রাইস তার কাছাকাছিই রয়েছে।
গত ১২ মাসে এই সংস্থার শেয়ারের দাম ৯১ শতাংশ বেড়েছিল এবং সম্প্রতি ৩০৪ টাকায় পৌঁছে রেকর্ড গড়েছিল। কিন্তু তারপর থেকে ১৩ শতাংশ দাম কমেছে।
জেফ্রিসের বিশ্লেষণ:

জেফ্রিসের মতে, কুইক কমার্স সেগমেন্টে প্রবল প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে, যার ফলে জোম্যাটোর লাভের অঙ্ক আগের মতো নাও হতে পারে। তারা আরও মনে করে যে ২০২৪ সালে এই সংস্থার স্টকের দাম অনেক বেড়েছে, তাই ২০২৫ সালে দামের একত্রীকরণ (consolidation) হতে পারে।

প্রতিদ্বন্দ্বী সংস্থার উপর প্রভাব:

জোম্যাটোর পতনের পাশাপাশি তার প্রতিদ্বন্দ্বী সংস্থা সুইগির স্টকের দরেও মঙ্গলবার প্রায় ২ শতাংশ পতন দেখা যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতামত ও বাজারের ভবিষ্যৎ:

বিশেষজ্ঞরা ই-কমার্স এবং কুইক কমার্স সেক্টরে উন্নতির আশা করছেন। ক্রেতাদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে, যার ফলে অদূর ভবিষ্যতে এই সেক্টরে প্রবৃদ্ধি আশা করা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৫ সালের মধ্যে এই সেক্টরের ব্যবসার পরিমাণ ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০২৯ সালের মধ্যে ৯.৯৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে।

এই সময় অনলাইন কোনো বিনিয়োগের পরামর্শ দেয় না। শেয়ার বাজার বা যেকোনো ক্ষেত্রে বিনিয়োগ ঝুঁকি সাপেক্ষ। বিনিয়োগের আগে ভালোভাবে পড়াশোনা করা এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এই খবরটি শুধুমাত্র শিক্ষা এবং সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত।